- Purbodhara - https://purbodhara.com/ -

এলপিজিতে চরম নৈরাজ্য বিইআরসির দর ২,০৬০ টাকা, বাজারে কিনতে হচ্ছে আড়াই হাজার

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম দফায় দফায় বাড়লেও বাজারে তার কোনো প্রতিফলন নেই। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কর্তৃক নির্ধারিত দামের চেয়েও ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দিয়ে ১২ কেজির সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে বলে তীব্র অভিযোগ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। অন্যদিকে, খুচরা বিক্রেতারা বলছেন— পাইকারি বাজারেই তাদের বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে, যার সাথে যোগ হয়েছে তীব্র সরবরাহ সংকট। সব মিলিয়ে এলপিজি কিনতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহক থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
সংকটের মাঝেই ফের দাম বৃদ্ধি তীব্র এলপিজি সংকটের মধ্যেই আবারও সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়েছে বিইআরসি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সোমবার রাত ৮টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। এর আগে গত ৪ অক্টোবর একই পরিমাণের সিলিন্ডারে ২৫২ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। পর পর দুই দফায় এমন অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা।

বাজারে দামে চরম নৈরাজ্য বিইআরসি নতুন দর ঘোষণা করলেও মাঠপর্যায়ের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। ৫ কেজি থেকে শুরু করে ৪৫ কেজি—সব ধরনের সিলিন্ডারেই নির্ধারিত হারের চেয়ে অনেক বেশি টাকা হাঁকাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ক্রেতাদের অভিযোগ, বিইআরসি যে দাম নির্ধারণ করে, বাস্তবে সেই দামে কোথাও গ্যাস পাওয়া যায় না। প্রতি সিলিন্ডারে সরকারের বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি গুনতে হচ্ছে।

বিক্রেতাদের অযুহাত অতিরিক্ত দাম নেওয়ার বিষয়ে বিক্রেতারা জানান, তারা নিজেরাও ডিলার ও কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে নির্ধারিত দামে গ্যাস পাচ্ছেন না। বেশি দামে কেনা এবং সরবরাহ কম থাকায় বাধ্য হয়েই তাদের বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

নিয়ন্ত্রণ সংস্থার এমন দাম ঘোষণার পর তা বাজারে বাস্তবে কার্যকর না হওয়া এবং অসাধু চক্রের সুযোগ নেওয়ার ফলে এলপিজি খাতের এই নৈরাজ্য এখন সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে।

.ufba98453003a5e75602ad0e547735cd7 { padding:0px; margin: 0; padding-top:1em!important; padding-bottom:1em!important; width:100%; display: block; font-weight:bold; background-color:#eaeaea; border:0!important; border-left:4px solid #34495E!important; text-decoration:none; } .ufba98453003a5e75602ad0e547735cd7:active, .ufba98453003a5e75602ad0e547735cd7:hover { opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; text-decoration:none; } .ufba98453003a5e75602ad0e547735cd7 { transition: background-color 250ms; webkit-transition: background-color 250ms; opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; } .ufba98453003a5e75602ad0e547735cd7 .ctaText { font-weight:bold; color:#464646; text-decoration:none; font-size: 16px; } .ufba98453003a5e75602ad0e547735cd7 .postTitle { color:#000000; text-decoration: underline!important; font-size: 16px; } .ufba98453003a5e75602ad0e547735cd7:hover .postTitle { text-decoration: underline!important; }
আরও পড়ুন  সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের শেষ চিঠি