- Purbodhara - https://purbodhara.com/ -

তেঁতুলিয়ায় আবারও দেখা মিললো কাঞ্চনজঙ্ঘা

তেতুলিয়া উপজেলা থেকে আবারও দেখা মিলছে বিশ্বের তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার। যেটি অবস্থিত তেতুলিয়া সীমান্তের ওপারে ভারতে।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে পরিষ্কার নীল সবুজে আকাশের নিচে বিশালাকার পর্বতটি হঠাৎ করেই যেন উঁকি দেয়। পঞ্চগড় জেলার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ কয়েক মিনিটের জন্য উপভোগ করেন এই অপার্থিব দৃশ্য।

আগের দিন বৃহস্পতিবার সকাল ও বিকেলেও দেখা গিয়েছিলো কাঞ্চনজঙ্ঘা। তবে আজ শুক্রবার দৃশ্য ছিলো আরও স্পষ্ট, দৃষ্টিনন্দন ও মনোমুগ্ধকর।

স্থানীয়রা জানান, শরৎকালে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা এক বিরল ঘটনা। সাধারণত অক্টোবর মাসে আকাশ পরিষ্কার হতে শুরু করে এবং তখন সহজে দেখা মেলে দূরের কাঞ্চনজঙ্ঘা। কিন্তু এবার সেপ্টেম্বরের শুরুতেই টানা দুদিন এমন সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারায় স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

তেতুলিয়া এলাকার বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, আমরা প্রতি বছরই কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার জন্য অপেক্ষা করি। সাধারণত শীতের একটু আগে বা শীতের শুরুতে ভালোভাবে দেখা যায়। এবার এত তাড়াতাড়ি দেখা মিলবে ভাবিনি। আজ বিকালে হঠাৎই পাহাড়ের চূড়াটা দেখা গেল। মনে হচ্ছিলো, হাত বাড়ালেই ছুঁয়ে ফেলবো। সত্যি, এক অপূর্ব অভিজ্ঞতা।

তেতুলিয়া উপজেলা সাবরেজিস্টার অফিসের মোবারক হোসেন জানান ডাকবাংলো দাঁড়িয়ে দেখছিলাম। সাদা বরফে মোড়া পাহাড়টা এত সুন্দর লাগছিলো যে মনে হচ্ছিলো, একেবারে হাতের কাছেই আছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, বর্তমানে আবহাওয়ায় হঠাৎ পরিবর্তন হচ্ছে। গরম ও ঠান্ডা আবহাওয়ার মিশ্রণের কারণে গত দুদিন আকাশ পরিষ্কার ছিলো। তাই কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যাচ্ছে। তখন প্রায় প্রতিদিনই কাঞ্চনজঙ্ঘা স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া অঞ্চল থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা সবচেয়ে স্পষ্ট দেখা যায়। শীত মৌসুমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো পর্যটক ভিড় করেন এই পর্বতের ঝলক দেখার জন্য। বিশেষ করে ভোরবেলা কীংবা বিকেলের শেষ প্রহরে সূর্যের আলোয় বরফে ঢাকা পাহাড়ের চূড়াগুলো যখন সোনালি রঙে ঝলমল করে ওঠে, তখন দৃশ্যটি হয়ে ওঠে স্বপ্নময়।

.ufc38105b1de0e8d6b727bae886d5c753 { padding:0px; margin: 0; padding-top:1em!important; padding-bottom:1em!important; width:100%; display: block; font-weight:bold; background-color:#eaeaea; border:0!important; border-left:4px solid #34495E!important; text-decoration:none; } .ufc38105b1de0e8d6b727bae886d5c753:active, .ufc38105b1de0e8d6b727bae886d5c753:hover { opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; text-decoration:none; } .ufc38105b1de0e8d6b727bae886d5c753 { transition: background-color 250ms; webkit-transition: background-color 250ms; opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; } .ufc38105b1de0e8d6b727bae886d5c753 .ctaText { font-weight:bold; color:#464646; text-decoration:none; font-size: 16px; } .ufc38105b1de0e8d6b727bae886d5c753 .postTitle { color:#000000; text-decoration: underline!important; font-size: 16px; } .ufc38105b1de0e8d6b727bae886d5c753:hover .postTitle { text-decoration: underline!important; }
আরও পড়ুন  বন্দরটিলা কাঁচা বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে আজিমুশ্শান নূরানী মাহফিল 

স্থানীয়রা মনে করছেন, শীতের আগেই কাঞ্চনজঙ্ঘার এমন ঝলক পর্যটনের ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।