- Purbodhara - https://purbodhara.com/ -

দুই রেলক্রসিংয়ে ওভারপাস নির্মাণ করতে চায় সিডিএ

নগরের জাকির হোসেন সড়কের দুটি রেলক্রসিংয়ে ওভারপাস নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। ঝাউতলা ও ইস্পাহানি রেলক্রসিংয়ের ওপর এসব ওভারপাস নির্মাণ করা হবে। এজন্য একটি কনসালটেন্ট প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে প্রাথমিক সার্ভে করা হয়েছে। তবে আরও বিশদভাবে সার্ভে করার পর এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নুরুল করিম।

সংশ্লিষ্টরা জানান-চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ঢাকা, কক্সবাজার, চাঁদপুর, ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে প্রতিদিন ৫৬টি যাত্রীবাহী ট্রেন যাতায়াত করে। এরমধ্যে ইস্পাহানি রেলক্রসিং হয়ে ৩৩টি এবং ঝাউতলা রেলক্রসিং হয়ে ২৩টি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করে। নিয়ম অনুযায়ী ট্রেন চলাচলের সময় ক্রসিংয়ের দুই পাশে প্রতিবন্ধক ফেলে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়।

একটি ট্রেন ক্রসিং পার হওয়ার সময় সাধারণত ৫-৭ মিনিট সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। সে হিসাবে ইস্পাহানি এলাকায় প্রতিদিন প্রায় ৩ ঘণ্টা এবং ঝাউতলা এলাকায় ২ ঘণ্টার বেশি সময় যান চলাচল বন্ধ থাকে। এ কারণে চট্টগ্রাম নগরের প্রবেশের অন্যতম প্রধান দ্বার-জাকির হোসেন সড়কে তীব্র যানজট তৈরি হয়। ভোগান্তিতে পড়ে লাখো মানুষ। ঘটে দুর্ঘটনাও। সিডিএ’র কর্মকর্তারা জানান-নগরবাসীকে ভোগান্তি থেকে মুক্তি দিতে ঝাউতলা ও ইস্পাহানি রেলক্রসিংয়ের ওপর দুটি ওভারপাস নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ওভারপাস হয়ে গেলে ট্রেন চলাচলের সময়েও সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।

সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নুরুল করিম  বলেন, নগরের মধ্যে অনেক রেলক্রসিং রয়েছে। এসব ক্রসিংয়ের কারণে জনসাধারণের ভোগান্তি পোহাতে হয়। গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিংগুলোর ওপর যদি ওভারপাস নির্মাণ করা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ যানজট থেকে মুক্তি পাবে।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে জাকির হোসেন সড়কের ঝাউতলা ও ইস্পাহানি এলাকার দুটি রেলক্রসিংয়ের ওপর ওভারপাস নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এজন্য একটি কনসালটেন্ট প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে প্রাথমিক সার্ভেও করা হয়েছে। তবে আমাদের পরিকল্পনা হচ্ছে- যেসব এলাকায় ওভারপাস না থাকায় মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে, তার প্রতিটিতে ওভারপাস নির্মাণ করা। আরও বিশদভাবে সার্ভে করার পর এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

.u13a3dec5cc4546eacee1799a63eebcc5 { padding:0px; margin: 0; padding-top:1em!important; padding-bottom:1em!important; width:100%; display: block; font-weight:bold; background-color:#eaeaea; border:0!important; border-left:4px solid #34495E!important; text-decoration:none; } .u13a3dec5cc4546eacee1799a63eebcc5:active, .u13a3dec5cc4546eacee1799a63eebcc5:hover { opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; text-decoration:none; } .u13a3dec5cc4546eacee1799a63eebcc5 { transition: background-color 250ms; webkit-transition: background-color 250ms; opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; } .u13a3dec5cc4546eacee1799a63eebcc5 .ctaText { font-weight:bold; color:#464646; text-decoration:none; font-size: 16px; } .u13a3dec5cc4546eacee1799a63eebcc5 .postTitle { color:#000000; text-decoration: underline!important; font-size: 16px; } .u13a3dec5cc4546eacee1799a63eebcc5:hover .postTitle { text-decoration: underline!important; }
আরও পড়ুন  চট্টগ্রামে কলেজ শিক্ষার্থীকে হত্যা : প্রধান আসামি অনিক দাস গ্রেপ্তার

রেলক্রসিংয়ে ওভারপাস নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে নগরে যানজট ও দুর্ঘটনা কমবে বলে মনে করেন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মানজারে খোরশেদ আলম। তিনি বলেন, নগরে অসংখ্য রেলক্রসিং রয়েছে। এসব ক্রসিং দিয়ে ট্রেন চলাচলের সময় গাড়ি আটকে থাকে। ফলে গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হয়ে যানজট লেগে যায়।

সিডিএ’র এ বোর্ড সদস্য আরও বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এলাকার প্রতিটি রেলক্রসিংয়ের ওপর যদি ওভারপাস নির্মাণ করা হয়, তাহলে নগরের অভ্যন্তরে যানজট কমে আসবে। রেলক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণহানির ঘটনাও কমবে।