- Purbodhara - https://purbodhara.com/ -

প্রখ্যাত চিকিৎসক প্রফেসর ডা. মাহবুব কামাল চৌধুরীর ইন্তেকালে শোকের ছায়া

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামার কৃতিমান সন্তান, দেশের প্রখ্যাত চিকিৎসাবিদ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. মাহবুব কামাল চৌধুরী (৯৫) আর নেই। বুধবার (২৭ নভেম্বর) বিকেল ৫টায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন—
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
তাঁর মৃত্যুতে এলাকাজুড়ে এবং দেশের চিকিৎসা অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল ৪টায় পেকুয়ার মগনামা গ্রামের নিজ বাড়িতে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজায় এলাকাবাসী, সহকর্মী চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, শুভাকাঙ্ক্ষীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
ডা. মাহবুব কামাল চৌধুরী ছিলেন কক্সবাজার জেলার প্রথম এফসিপিএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসক। ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্নের পর তিনি মেডিসিনে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেন। সিলেট, বরিশাল ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগে দীর্ঘদিন শিক্ষকতার দায়িত্ব পালন শেষে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অবসর জীবনে তিনি চিকিৎসা সেবাকে আরও নিবিড়ভাবে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করেন। চট্টগ্রামের সিএসসিআর হাসপাতালসহ একাধিক বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় তিনি পথিকৃৎ ভূমিকা পালন করেন। তিনি চকরিয়া জমজম হাসপাতালেরও অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
মানবতার সেবায় তিনি ছিলেন এক উজ্জ্বলতম উদাহরণ। মগনামার সাধারণ মানুষ আজও স্মরণ করেন—অসহায় কেউ তাঁর কাছে গেলে তিনি বিনা ফি-তে চিকিৎসা দিতেন। কারও কাছে যাতায়াতের খরচ না থাকলে নিজ হাতে তা দিয়ে দিতেন। মানুষের প্রতি এই নিখাদ ভালোবাসাই তাঁকে এলাকায় ‘মানবিক ডাক্তার’ হিসেবে পরিচিত করেছে।
মরহুমের পরিবারে স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছেন। বড় ছেলে নিজেও একজন চিকিৎসক।
এমন এক দেশবরেণ্য চিকিৎসকের বিদায়ে তাঁর সহকর্মী, ছাত্র-ছাত্রী, রোগী—সকলেই শোকাহত। মানবতার বাতিঘর এই মহৎ মানুষের প্রয়াণে সর্বত্র নেমে এসেছে গভীর বিষাদ।

.u94cef2a40d313bfa9a06ae3c30933ebf { padding:0px; margin: 0; padding-top:1em!important; padding-bottom:1em!important; width:100%; display: block; font-weight:bold; background-color:#eaeaea; border:0!important; border-left:4px solid #34495E!important; text-decoration:none; } .u94cef2a40d313bfa9a06ae3c30933ebf:active, .u94cef2a40d313bfa9a06ae3c30933ebf:hover { opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; text-decoration:none; } .u94cef2a40d313bfa9a06ae3c30933ebf { transition: background-color 250ms; webkit-transition: background-color 250ms; opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; } .u94cef2a40d313bfa9a06ae3c30933ebf .ctaText { font-weight:bold; color:#464646; text-decoration:none; font-size: 16px; } .u94cef2a40d313bfa9a06ae3c30933ebf .postTitle { color:#000000; text-decoration: underline!important; font-size: 16px; } .u94cef2a40d313bfa9a06ae3c30933ebf:hover .postTitle { text-decoration: underline!important; }
আরও পড়ুন  মহেশখালীতে বজ্রপাতে চিংড়ি প্রজেক্ট শ্রমিকের মৃত্যু