- Purbodhara - https://purbodhara.com/ -

বাঁশখালী পুইছড়ী প্রেম বাজারে মাদক বিরোধী র‍্যালী ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

মাদককে না বলুন, সুস্থ ও সুন্দর জীবন গড়ুন—এই স্লোগানকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে মাদক বিরোধী জনসচেতনতামূলক র‍্যালী ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাঁশখালী থানা পুলিশের উদ্যোগে উপজেলার পুইছড়ী প্রেম বাজার এলাকায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার (২৩ আগষ্ট) পুইছড়ী প্রেম বাজার এলাকা থেকে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালী বের হয়। র‍্যালীটি বাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। র‍্যালীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয়তাবাদী দল( বিএনপি)এর বিভিন্ন নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিগণ, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

র‍্যালী পরবর্তী সমাবেশে বক্তারা মাদকের ভয়াবহতা নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা বলেন, মাদক তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে কেবল প্রশাসনের ওপর নির্ভর না করে, বরং প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে। মাদক ব্যবসায়ীদের তথ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করার আহ্বান জানান তারা।এতে জামায়াতের আমীর মৌলানা আব্দুর রহমান সাহেব,ছাত্রনের আমিনুল ইসলাম মুকুল ও জাতীয়তাবাদী দলের ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দু ছবুর, সাবেক ছাত্রনেতা আতিকুল হক চৌধুরী, প্যানেল চেয়ারম্যান তানজিনা তানজিম প্রমুখ।

বাঁশখালী থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমান সরকারের ‘মাদকমুক্ত দেশ গড়ার’ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে এবং যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এ ধরনের কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানায় পুলিশ প্রশাসনের ওসি তদন্ত শুধাংশেখর হাওলাদার সহ সেকেন্ড অফিসার আরিফুল হক, এস আই রুবেল সিংহ ও এ এস আই সামিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, পুলিশের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। মাদক বিরোধী এমন সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে এলাকা থেকে অপরাধ প্রবণতা অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

.u321d68af5b5b3edee55a91c9bbc3c642 { padding:0px; margin: 0; padding-top:1em!important; padding-bottom:1em!important; width:100%; display: block; font-weight:bold; background-color:#eaeaea; border:0!important; border-left:4px solid #34495E!important; text-decoration:none; } .u321d68af5b5b3edee55a91c9bbc3c642:active, .u321d68af5b5b3edee55a91c9bbc3c642:hover { opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; text-decoration:none; } .u321d68af5b5b3edee55a91c9bbc3c642 { transition: background-color 250ms; webkit-transition: background-color 250ms; opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; } .u321d68af5b5b3edee55a91c9bbc3c642 .ctaText { font-weight:bold; color:#464646; text-decoration:none; font-size: 16px; } .u321d68af5b5b3edee55a91c9bbc3c642 .postTitle { color:#000000; text-decoration: underline!important; font-size: 16px; } .u321d68af5b5b3edee55a91c9bbc3c642:hover .postTitle { text-decoration: underline!important; }
আরও পড়ুন  বন্দরের এনসিটি ইয়ার্ড থেকে পণ্যবোঝাই কন্টেনার পাচার