- Purbodhara - https://purbodhara.com/ -

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল সিসিএস দপ্তর ঢাকায় স্থানান্তরে সক্রিয় কুচক্রি মহল

বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের (সিসিএস) দপ্তরটি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় স্থানন্তরে সক্রিয় রয়েছে বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের প্রভাবশালী কুচক্রি মহল। যা হলে প্রথমত চট্টগ্রামের প্রতি বিমাতা সূলভ আচরণ হবে। দ্বিতীয়ত, সরকারের ব্যয় ও সরঞ্জাম সংরক্ষণ জটিল হয়ে পড়বে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব এমপির সাথে সাক্ষাৎ করে স্মারকলিপি প্রদানের সময় এমন তথ্য উপস্থাপনা করেন বাংলাদেশ রেলওয়ে

স্পেয়ার্স এন্ড এক্সেসরিজ সাপ্লাইয়ার্স এসোসিয়েশন (বারেসাএসাএ) এর নেতৃবৃন্দ।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে রেলভবনে প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী এবং বারেসাএসাএ‘র সভাপতি ফেরদৌস হুদার নেতৃত্বে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে প্রতিমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

এ সময় বারেসাএসাএ‘র অন্যতম পরিচালক এনায়েত কবির, আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারি বাবুল, জাকির হোসেন, আরিফুর রহমান, জাহিদুল হক জাহিদ, এ কে এম মাহফুজুর রহমান পিপলু, খন্দকার তারিকুল ইসলাম এবং মঈনুল আহসান রাসেল সাথে ছিলেন।

নেতৃবৃন্দ প্রতিমন্ত্রীকে অবগত করেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিএিস) বিভাগটি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় স্থানান্তরের জন্য বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের একটি কুচক্রী মহল দীর্ঘদিন যাবৎ সক্রিয় ছিল। বর্তমানে আবারও সেই চক্রটি প্রাক্তন রেলপথ মন্ত্রী, রেলপথ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানসহ কিছু লুটেরা ব্যবসায়ী এবং সুযোগ সন্ধানী রেলওয়ে কিছু অসাধু কর্মকর্তা নিজেদের স্বার্থেই এই প্রক্রিয়ার সহিত সক্রিয় হয়েছে।

যার অংশ হিসেবে প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক দপ্তর ঢাকা স্থানান্তরের জন্য বিভিন্ন ধরণের অপপ্রচারের মাধ্যমে সক্রিয় রয়েছে কিন্তু রেলওয়ে প্রয়োজনীয় বেশীরভাগ যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি করতে হয়। ফলে তৎসংশ্লিষ্ট ডিসিওএস শিপিং, ডিসিওএস ডিপো, ডিসিওএস পরিদর্শন, এসিওএস জেটি ও ইনভেন্ট্রি কন্ট্রোলসেলসহ প্রয়োজনীয় সকল অবকাঠামো ও সুবিধাসমূহ ব্রিটিশ আমল থেকেই চট্টগ্রামে বিদ্যমান আছে। এই সকল কারণে অফিসটি স্থানান্তর করা চট্টগ্রামের সহিত একটি বিমাতা সুলভ আচরণ হিসেবে গণ্য হবে। অন্যদিকে সরঞ্জাম ক্রয়, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধিসহ ও সরঞ্জাম সংরক্ষণে জটিলতা সৃষ্টি হবে। এতে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হবে। তাই এ বিষয়ে আমরা রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মহোদয়ের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

.u198e4733cc1cf01b38194d6c39da4d03 { padding:0px; margin: 0; padding-top:1em!important; padding-bottom:1em!important; width:100%; display: block; font-weight:bold; background-color:#eaeaea; border:0!important; border-left:4px solid #34495E!important; text-decoration:none; } .u198e4733cc1cf01b38194d6c39da4d03:active, .u198e4733cc1cf01b38194d6c39da4d03:hover { opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; text-decoration:none; } .u198e4733cc1cf01b38194d6c39da4d03 { transition: background-color 250ms; webkit-transition: background-color 250ms; opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; } .u198e4733cc1cf01b38194d6c39da4d03 .ctaText { font-weight:bold; color:#464646; text-decoration:none; font-size: 16px; } .u198e4733cc1cf01b38194d6c39da4d03 .postTitle { color:#000000; text-decoration: underline!important; font-size: 16px; } .u198e4733cc1cf01b38194d6c39da4d03:hover .postTitle { text-decoration: underline!important; }
আরও পড়ুন  বাঁশখালীতে যুবলীগ নেতা  মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা 

সিসিএস, পাহাড়তলীর আরপিও নং-২৪৭সি তাঃ ১৮/১২/২০২৩ইং। আমরা “বাংলাদেশ রেলওয়ে ¯েপয়ার্স এন্ড এক্সেসরিজ সাপ্লায়ার্স এসোসিয়েশন” এর পক্ষ থেকে নেতৃবৃন্দ প্রতিমন্ত্রীর সদয় অনুধাবন পূর্বক অবগতির জন্য জানান যে, আরপিও-২৪৭সি এ প্রদর্শিত বিভিন্ন শ্রেণী/ডিজিটাল (ব্রাস অন্তর্ভুক্ত) শ্রেণী সমূহ যেমন: ইবি১(১০৪)অ, ইবি১(২০৪),ই, ইবি২ (১২৩), ইবি৬ (১০৯), ইসি২ ৯(১১০), ইসি২(১৪২), আইএফ১ (১২৭) মালামালগুলি সিসিএস দপ্তর কর্তৃক ক্রয়/সংগ্রহ করা হতো, কিন্তু বিগত ১৮/১২/২০২৩ইং একটি আরপিও জারির মাধ্যমে সিওএস (পূর্ব) ও সিওএস (পশ্চিম) হইতে উপরোক্ত উল্লেখিত শ্রেণীর মালামাল সমূহ ক্রয়/সংগ্রহ করা হইতেছে। যাহা সিসিএস দপ্তরকে স্থানান্তরের প্রথম প্রক্রিয়া।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী সময় হইতে সিসিএস দপ্তর হইতে রেলওয়ের যাবতীয় মালামাল ক্রয় সংগ্রহ করা হতো। ১৯৮৪ সালে তৎকালীন সরকার প্রধান এরশাদ সাহেবের মতামতের ভিত্তিতে সিওএস/পূর্ব ও সিওএস, পশ্চিম দপ্তর গঠন করা হয় এবং তখন এই দুই নতুন দপ্তর সমূহ কি মালামাল ক্রয় করিবেন তাহার নির্দেশনা ছিল। কিন্তু যাহা বিভিন্ন মহলের স্বার্থ লঙ্ঘিত হইয়া আসিতেছে।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, আলোচিত বিভিন্ন শ্রেণীর মালামালগুলো রেলওয়ের সেফটি ও ¯পর্শকাতর আইটেম হিসেবে বিবেচিত এবং অধিকাংশ মালামাল সমূহ সম্পূর্ণরূপে আমদানী নির্ভর। অতীতে এইধরনের মালামাল সমূহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে ক্রয় সংগ্রহ করা হইত। এই ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রয়কার্য সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা শুধুমাত্র প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক এর দপ্তরে বিদ্যমান রয়েছে, যেমন (আমদানীর জন্য এলসি খোলার ব্যবস্থা, মালামাল খালাসের জন্য আর এন্ড আই দপ্তরের মাধ্যমে রেলওয়ের নিজস্ব জেটি ও শিপিং এর ব্যবহার)।

এখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাজধানী ঢাকাকে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ করে ঢাকাকে যানজট ও যানজট মুক্ত করা ও চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসাবে গড়ে তোলার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রহিয়াছে বলে উল্লেখ করেন। পরিশেষে প্রতিমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করেন নেতৃবৃন্দ।

রেলপথ প্রতিমন্ত্রী মনযোগ সহকারে নেতৃবৃন্দের কথা শুনেন এবং যাবতীয় সহযোগীতার আশ্বাস প্রদান করেন। এছাড়া তিনি প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক দপ্তর পরিদর্শনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পরে বারেসাএসাএ নেতৃবৃন্দ সদ্য পদায়িত অতিরিক্ত মহাপরিচালক (রোলিং স্টক) ফকির মো. মহিউদ্দীনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথেও সাক্ষাৎ করেছেন।

.u466b38b964d5342c778be89a5492052c { padding:0px; margin: 0; padding-top:1em!important; padding-bottom:1em!important; width:100%; display: block; font-weight:bold; background-color:#eaeaea; border:0!important; border-left:4px solid #34495E!important; text-decoration:none; } .u466b38b964d5342c778be89a5492052c:active, .u466b38b964d5342c778be89a5492052c:hover { opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; text-decoration:none; } .u466b38b964d5342c778be89a5492052c { transition: background-color 250ms; webkit-transition: background-color 250ms; opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; } .u466b38b964d5342c778be89a5492052c .ctaText { font-weight:bold; color:#464646; text-decoration:none; font-size: 16px; } .u466b38b964d5342c778be89a5492052c .postTitle { color:#000000; text-decoration: underline!important; font-size: 16px; } .u466b38b964d5342c778be89a5492052c:hover .postTitle { text-decoration: underline!important; }
আরও পড়ুন  দেশীয় লবণ শিল্প ধ্বংস করে বিদেশী আমদানিতে চাষীদের ক্ষতি কে দেখবে?

স্মারকলিপিতে যা আছে :

বাংলাদেশ রেলওয়ে স্পেয়ার্স এন্ড এক্সেসরিজ সাপ্লায়ার্স এসোসিয়েশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক টিও লাইসেন্স প্রাপ্ত বাংলাদেশ রেলওয়ের একমাত্র ব্যবসায়িক সংগঠন। যাহা বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআই এর “এ” শ্রেণীভুক্ত সদস্য। প্রতি দুই বছর অন্তর অত্র সংগঠনের নির্বাচন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশক্রমে জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রামের তত্ত্বাবধানে আমাদের নির্বাচন পরিচালনা করা হয়ে থাকে।অত্র সংগঠনটি বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্ব-পশ্চিম জোনের সকল নিবন্ধিত ব্যবসায়ীদের সকল ব্যবসায়িক স্বার্থ সংক্রান্ত বিষয়ে তদারকি করে থাকে। স্বার্থ সংরক্ষণ করা আমাদের কর্তব্য। বর্তমানে এই দপ্তরে তালিকাভুক্ত ব্যবসায়ী আছে ১১৩০ জন।

বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক দপ্তর অন্যান্য সকল বিভাগের মেরামত রক্ষণাবেক্ষণ, সিগনালিং, পি-ওয়ে সামগ্রী ও দৈনন্দিন কাজের জন্য সকল পণ্য যেমন কাঁচামাল, যন্ত্রাংশ কম্পাোনেন্ট, টিকেট, ফরমস ও স্টেশনারী, আইটি ইকুইপমেন্ট, লুব অয়েল ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি ক্রয়/সংগ্রহ এবং সংগৃহীত মালামাল যথাযথ ও কার্যকরভাবে মজুদকরণ, বিতরণ এবং ব্যবহার ব্যবস্থাপনার সার্বিক তত্ত্বাবধানে নিয়োজিত রয়েছে। রেলওয়ে সমুদয় মালামাল সরঞ্জাম বিভাগের প্রধান ইউনিট প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক পাহাড়তলী।

প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক পাহাড়তলী দপ্তর হতে লোকোমোটিভের সকল দেশী ও বিদেশী যন্ত্রাংশ, বিভিন্ন ধরণের বিয়ারিং, ক্যারেজ এন্ড ওয়াগনের যন্ত্রাংশ এবং অন্যান্য বিশেষায়িত পণ্য ক্রয়/সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। এছাড়া বৈদেশিক উৎস হতে সংগৃহীতব্য বিভিন্ন ধরণের ক্যাপিটাল এসেট, কৌশলগত ক্রয় সংক্রান্ত কাজ দক্ষতার সাথে স¤পাদন করে আসছে। অন্যদিকে সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক পূর্ব ও পশ্চিম স্থানীয় বাজার ও স্থানীয় কারখানায় প্রস্তুতকৃত প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ এবং বিভিন্ন বিভাগের পরিচালন কাজে যথা অফিসে ব্যবহার্য সামগ্রী, প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য সামগ্রী ক্রয়/সংগ্রহ নিশ্চিত করে।

বর্তমানে প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক, পাহাড়তলী দপ্তরকে রেল পরিচালনার জন্য কাঙ্খিত মালামাল সংগ্রহের ক্ষেত্রে বাঁধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক, পাহাড়তলী দপ্তরে মালামাল ক্রয়/সংগ্রহের ক্ষেত্রে পিপিআর-২০০৬, পিপিআর-২০০৮ নতুন করে পিপিআর-২০২৫ এবং বিভিন্ন সময়ে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জারীকৃত বিভিন্ন আদেশ যথাযথভাবে অনুসরণ করে ক্রয় প্রক্রিয়া স¤পন্ন করা হয়। পিপিআর-২০২৫ অনুযায়ী যে কোন ক্রয় প্রক্রিয়ার শুরুতে বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা (এপিপি) অনুমোদন করাতে হয়। যাহার ইনভেন্ট্রি সেকশন প্রধান সরঞ্জাম দপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন।

.uff5de0d8508215995d3cd629ed549fd0 { padding:0px; margin: 0; padding-top:1em!important; padding-bottom:1em!important; width:100%; display: block; font-weight:bold; background-color:#eaeaea; border:0!important; border-left:4px solid #34495E!important; text-decoration:none; } .uff5de0d8508215995d3cd629ed549fd0:active, .uff5de0d8508215995d3cd629ed549fd0:hover { opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; text-decoration:none; } .uff5de0d8508215995d3cd629ed549fd0 { transition: background-color 250ms; webkit-transition: background-color 250ms; opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; } .uff5de0d8508215995d3cd629ed549fd0 .ctaText { font-weight:bold; color:#464646; text-decoration:none; font-size: 16px; } .uff5de0d8508215995d3cd629ed549fd0 .postTitle { color:#000000; text-decoration: underline!important; font-size: 16px; } .uff5de0d8508215995d3cd629ed549fd0:hover .postTitle { text-decoration: underline!important; }
আরও পড়ুন  স্মার্ট চট্টগ্রাম গঠনে নতুন মাইলফলক

অতএব, আপনার নিকট আমাদের আরজি যে, আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে তথা বর্তমান বাংলাদেশ রেলওয়ের শত বছরের ঐতিহ্যবাহী সিএিস দপ্তর সহ সরঞ্জাম বিভাগটি চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে বহাল রেখে পূর্বের ন্যায় মালামাল ক্রয় সংগ্রহের ব্যবস্থা করিয়া ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ বর্তমান বাংলাদেশ রেলওয়েকে আধুনিকায়ন করে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিচক্ষণতা ও দক্ষতার মাধ্যমে আপনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন বলে আমাদের প্রত্যাশা।