মোহাম্মদ এরশাদ বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি।।
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে জটিল রোগ এ্যাপ্লাস্টিক এনিমিযার (ব্লাড ক্যান্সার)আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী হয়ে পড়ে আছেন মো: সাইদুল (২৩) নামের স্নাতক ১ম বর্ষের এক ছাত্র।কিন্তু অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না তার অসচ্ছল পরিবার। ছেলের এমন অবস্থা দেখে পাগল প্রায় সাইফুলের বাবা। তবে বিত্তবানদের সাহায্য পেলে হয়তো বেঁচে যেতে পারে একটি প্রাণ।সাইফুল উপজেলার কালীপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম গুনাগরী এলাকার হতদরিদ্র কৃষক মোঃ জাকারিয়ার প্রথম সন্তান। বর্তমানে নিজ বাড়িতে থেকে প্রতি সাপ্তাহে রক্ত প্লাটিলেট নিয়ে কোন মতে বেঁচে আছেন। জানা যায়, মোঃ সাইফুল বাঁশখালী ডিগ্রি কলেজের স্নাতক ১ম বর্ষের ছাত্র। সাইফুলের পিতা বলেন, আমি একজন কৃষক, কৃষি কাজ করে কোন মতে টেনেটুনে অভাবের সংসার কোন ভাবে চালিয়ে যাচ্ছি।এমন সময় আমার প্রথম ছেলে মোঃ সাইফুলের শরীরে এ্যাপ্লাস্টিক এনিমিয়া (ব্লাড ক্যান্সার)ধরা পড়েছে।ছেলেকে সুস্থ করে তুলতে সম্বল যা ছিল তা ছেলের চিকিৎসায় সব শেষ করে একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছি।শেষ মেষ মনকে বুঝাতে এলাকাবাসীর সহযোগিতা ও ঘরের শেষ সম্বল গরু ছাগল যা ছিল তা বেচাকেনা করে পার্শ্ববর্তী দেশ ইন্ডিয়া নিয়ে যায়, ইতোমধ্যে অনেক টাকা ব্যয় হয়েছে।টাকা শেষ হলেও ডাক্তারদের আশ্বাসে স্বস্তি ফিরে পেয়েছি ছেলে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনার কথা শুনে।তবে চিকিৎসা করাতে প্রায় ৩০ লাখ টাকার প্রয়োজন।অপরদিকে আমার পরিবারে দ্বিতীয় সন্তান জন্মগত ভাবে প্রতিবন্ধী।আর্থিক অভাব অনটনের কারণে এতো ব্যয় বহুল খরচ বহন করে ছেলের চিকিৎসা সেবা করা আমার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে।আমার পক্ষে এত টাকা সংগ্রহ করা সম্ভব নয়। আর বর্তমান সরকার আসহায় গরীব দের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করতে শুনছি তবে এখনো পর্যন্ত আমি কোন ধরনের সরকারি সাহায্য সহযোগিতা পাইনি,যদি সরকারি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা পেলে আমার ছেলেকে বাঁচাতে পারবো বলে আমার বিশ্বাস। এসময় চোখের জলমুছতে মুছতে তিনি আরো বলেন, আমার ছেলেকে বাঁচাতে বিত্তবানদের কাছে সহযোগিতা কামনা করেন।
ক্যান্সার আক্রান্ত সাইফুল বলেন, আমার বাবা একজন কৃষক,তিনি কৃষি কাজ করে যে টাকা ইনকাম করতেন সেই টাকা দিয়েই আমার লেখাপড়ার খরচ ও সংসার চলতো। হঠাৎ ৩ বছর আগে আমার শরীরে একটানা ১০ দিন জ্বর হলে শারীরিক অবনতি হলে পরে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হই।একপর্যায়ে আমার শরিলে এ্যাপ্লাস্টিক এনিমিযার ধরা পরে।পরবর্তীতে আমার বাবা ধার-দেনা ও প্রতিবেশীর সহযোগিতায় আমাকে ইন্ডিয়া চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।তবে আমার শরীরে কিছুটা উন্নতি হয় এবং ডাক্তাররা আমি সুস্থ হওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। তবে পুরোপুরি সুস্থ হতে গেলে আমার আরো ৩০ লক্ষ টাকা প্রয়োজন যা বর্তমানে আমার পরিবারের পক্ষে এই অর্থ বহন করা কখনো সম্ভব নয়। প্রতি সাপ্তাহে ১২ হাজার টাকা খরচে রক্ত প্লাটিলেট নিয়ে কোন মতে বেঁচে আছি।আমি বাঁচতে চাই,আমি পড়ালেখা করতে চাই মানুষের মত মানুষ হতে চাই। আমার দুঃখী পরিবারের হাল ধরতে চাই।চিকিৎসার জন্য বিত্তবানদের কাছে সাহায্য চেয়েছেন মোঃ সাইফুল। বিস্তারিত জানতে তার সঙ্গে ০১৬২৮-৫০২৮২৭ মোবাইল ফোন নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।