রমজান মাসের ঈদ বাজারে চন্দ্রঘোনার মেগাসপ পাঞ্জাবী হাইজ ৩৫ লাখ টাকা ব্যবসা করে দেড় লাখ টাকার উপহার দিয়েছে ক্রেতা সাধারনকে। এই মেগাসব নিয়ে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে স্বস্তির পাশাপাশি মিষ্টি বিতরণ চলছে।
জানাগেছে, রাঙ্গুনিয়ার চন্দ্রঘোনা দোভাষী বাজারের দুই হাজার সালে স্থাপিত মেগাসপের পাঞ্জাবীর দোকানটি চালু হয়েছে দীর্ঘ ২৫ বছর আগে। প্রতি বছর রমজান মাসে ঈদ স্পেশাল নামে রাফ্রেল ঘোষনা দেন। সেইমতে এবছরও আয়োজন করতে ভুলেনি।
বাজার এলাকায় কিছু স্বার্থনেষী মহল ব্যবসায়ী ইশ্বান্বিত হয়ে ব্যাপক অপপ্রচার চালায়, এই মেগাসব প্রতিষ্টান নিয়ে। কিন্তু সফল হতে পারেননি, শেষ প্রতরণা বাণিজ্যে মেতে উঠতে বলে নানা অভিযোগ প্রচান করতে থাকে। শুরু হয় নানা প্রকার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠার খেলা।
সর্বশেষ জানাগেছে, চন্দ্রঘোনা লিচু বাগান-দোভাষী বাজারের মেগাসপের ৭শ টাকার পণ্য কিনলে কূপন ফ্রি। ফ্রি কুপনে প্রথম পুরস্কার মোটর বাইক। দ্বিতীয় পুরস্কার হোমরা হজের ভিসা, সাধারণ ক্রেতারা মোটর বাইক ও হোমরা ভিসা প্রাপ্তির আশায় লোভনীয় হয়ে পড়েন এবং বাইক ও হোমরা ভিসা পাবার আশায় কেনা কাটা করতে ভিড় জমাতে শুরু করে।
রমজান মাসের প্রথম রোজার দিন থেকে শুরু করে দৈনিক ঈদবাজার শুরু হয় দোভাষী বাজারের এই মেগাশপে বেচা কেনা। পরিবার স্ব-পরিবার, আত্মীয়- স্বজন থেকে শুরু করে বেচা-বিক্রি বেড়ে যেতে থাকে উক্ত মেগাসপে। প্রতিদিন গড়ে বিক্রি হতে থাকে লাখ টাকার নগদ বিক্রি।
রমজান মাসের প্রথম দিন থেকে বিভিন্ন লোকাল ইউটিউব চ্যানেল ও লোকাল ভিডিও সহ বিভিন্ন পেইজ ফেইসবুক আইডি ও মাইকিংয়ে প্রচার শুরু হয় ব্যাপক ঢালাও ভাবে। চালানো হয় গণহারে প্রচার কার্যক্রম। ৭শ টাকার পন্য কিনলে পাচ্ছেন একটি লাকী কুপন। যতবেশি কিনবেন ততবেশি কুপন। নিজের ভাগ্য পরীক্ষা করে নিন, পাইলে পেতে পারেন মানিক রতন।
চন্দ্রঘোনা দোভাষী বাজার তৈয়বিয়া মাদরাসা গেইট সংলগ্ন আবদুল আলিম মাকের্টের এই মেগাশপে জমজমাট ঈদ বানিজ্য বাজারে মেগাশপ দিচ্ছে বিরাট মুল্যহ্রাস সহ বিশাল লোভনীয় অপার। মেগাশপে আসুন এবং জেনে নিন পন্য সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য।
প্রতিনিধির তথ্য অনুসন্ধানে আরো জানাগেছে, প্রতি গ্রহক বা ক্রেতারা মেগাশপ থেকে মাত্র ৭শ টাকার জন্য একটি কূপন ও ৭শ টাকার পণ্যের বিপরীতে নিশ্চিত পাচ্ছেন মোটর বাইক সহ ওমরাহ হজ্ব পালনের বিশাল অফার। লোভনীয় অপার পেতে মরিয়া হয়ে উঠেন গ্রাহকরা।
এপ্রসঙ্গে মেগাসপের মালিক দিদারুণ ইসলাম বলেন,গত ১৪ এপ্রিল ১লা বৈশাখ দিবাগত রাত ১১ টায় শুরু হয় লটারী কূপনের ড্রয়ের কাজটি। পেযে জান মোগল মসজিদের ট্রেস ইমাম ইসাক হুজুরের নামটি। ড্রয়ের দুদিন পর আনুষ্ঠানিক ভাবে নিতে আসেন মোটর বাইকটি। সেসময় তিনি বলেন এই বাইকটি পেয়েছি সত্যি, কিন্তু এটা আমার জন্য একটি বড় বোঝা। এই বাইকটি পাওয়াতে আমাকে বিভিন্ন ভাবে আপন জনদের ৮ থেকে ১০ হাজার টাকার মিষ্টি বিতরণ করতে হয়েছে। যাহা আমি আর্থিক ভাবে ক্ষতি হতে হয়েছি। বাইক আমি চালাতে পারিনা। তবুও যখন পেয়েছি তার জন্য চেষ্টা করতে হবে।
এব্যাপারে মেগাসব মালিক দিদারুল ইসলাম বলেন, পূঁজি ও বেচা কেনা হিসাব করে দেখলাম এবারের ঈদের বাজারে আমার ৫০ হাজার টাকা লোকশান হয়েছে। তবে লোকশানকে ক্ষতি হিসেবে দেখছিনা। একবার লজ হবে আরেকবার লাভ হবে, এটা হচ্ছে ব্যবসার নিয়ম তবে এই কার্যক্রম প্রতি বছর অব্যাহত থাকবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
বিভিন্ন প্রকার গুঞ্জন ও অপ-প্রচার রোধে বাজার ব্যাবসায়ী সমিতির বর্তমান সভাপতি জাহেদুল ইসলাম মেম্বার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল জব্বার জানাই, লটারী যথা নিয়মে করা হয়েছে। আমরা সরাসরি উপস্থিত ছিলাম। যারা অপগন্ডা চালাচ্ছেন তারা ইশ্বার্ন্বিত হয়ে মেগাসপের জনপ্রিয়তাকে রুদ্ধ করার জন্য মরিয়া হয়ে অপ প্রচারে লিপ্ত হচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার জন্য সকল ক্রেতা ও জনগণের চিন্তাহীন ভাবনার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। আশাকরি এই বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করচ্ছি।
