logo
চট্টগ্রামে ১৩ জন শিক্ষার্থীর পড়ালেখার দায়িত্বভার নিলেন ছাত্রদল
সংবাদ প্রকাশিত:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল চট্টগ্রাম মহানগর বন্দর থানা ছাত্রদলের পরিশ্রমী ছাত্রনেতা মেরিন ইঞ্জিনিয়ার শাহিনুর ইসলাম শাহিন ও নূর এলাহি জিসানের উদ্যোগে ও নগর ছাত্রদলের ছাত্র বান্ধব নেতা হিসাবে সমাদৃত শিক্ষা অনুরাগী ইঞ্জিনিয়ার ওয়াহীদ ঈমাম খান সারাত এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় ২৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ০৩ (তিন) জন গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার দায়িত্বভার নিয়েছে বন্দর থানা ও ৩৭ নং মুনির নগর ওয়ার্ড ছাত্রদল।

এই নিয়ে অত্র ওয়ার্ডে ১৩ জনের অধিক গরীব মেধাবী স্কুল পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীদের দায়িত্ব নিলো বন্দর থানা ও ৩৭ নং মুনির নগর ওয়ার্ড ছাত্রদল।

ইঞ্জিনিয়ার ওয়াহীদ ঈমাম খান সারাত বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া হতদরিদ্র পরিবারে যেসব মেধাবী ছাত্রছাত্রী রয়েছে তাদেরকে চিহ্নিত করে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে আমাদের এই আয়োজন। বিগত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার জাতিকে মেধাশূন্য করার জন্য শিক্ষা কারিকুলামে, পরীক্ষার মোট নম্বরের সিংহভাগ শুধু শিক্ষকের মূল্যায়নের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। যৎসামান্য কিছু অংশ বাস্তব পড়া বা লেখার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা বই থেকে দূরে সরে গিয়ে তারা বাস্তবতার বিপরীতে শূন্য জ্ঞান এবং শূন্য মেধায় সার্টিফিকেট অর্জন করেছে।’

তিনি বলেন,শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন বেকারত্ব দূর করার প্রধানতম হাতিয়ার বলে মনে করা হয়। কিন্তু আমাদের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা সুশিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তি তৈরির বদলে এক বিশাল অদক্ষ কিন্তু সনদধারী বেকার শ্রেণি সৃষ্টি করে চলেছে।
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে ঢেলে সাজাতে হবে যেন দেশের প্রত্যেক নাগরিক তার মেধা, দক্ষতা ও শারীরিক সক্ষমতা অনুসারে পছন্দমতো পেশায় নিয়োজিত হতে পারে।
আবহমানকাল থেকে আমাদের দেশে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বা মসজিদ-মন্দিরে কোমলমতি শিশুদের বুনিয়াদি শিক্ষা দেওয়ার প্রচলন ছিল। শিশুকালে প্রাপ্ত চরিত্র, মূল্যবোধ ও মানবতার শিক্ষা জীবনকাল শিক্ষার্থীরা ধারণ ও লালন করে থাকে। এই বুনিয়াদি শিক্ষার জন্যই সমাজে অন্যায়-অবিচার অনেক কম ছিল; সামাজিক সম্প্রতি ছিল অনেক। কিন্তু আজকাল এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম অনেক সীমিত হয়ে এসেছে। ফলে সামাজিক মূল্যবোধ দ্রুত নিঃশেষ হয়ে আসছে। আমাদের সংস্কৃতির এই অধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানকে ফিরিয়ে আনতে হবে।
দেশে দক্ষ জনশক্তি ও সুনাগরিক তৈরি করতে শিক্ষায় কমপক্ষে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ করতে হবে। শিক্ষায় বিনিয়োগ থেকে কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে দীর্ঘ সময় লাগে; অনেক সময় একটি প্রজন্ম পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। কিন্তু শুরুটা এখনই করা প্রয়োজন। ‘তিন শূন্য’তত্ত্বের জনক বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এখন দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ঢেলে সাজাবেন বলে প্রত্যাশা রাখি।

আরও পড়ুন  পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছাবাণী