চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে দেদারসে ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া নৈরাজ্য চলছে। প্রধান সড়কের সিএনজি লোকাল ৩০ টাকার ভাড়া ১৫০ টাকা, ৫০ টাকার ভাড়া ২০০-২৫০ টাকা, সিএনজি রিজার্ভ ৫০০ টাকার ভাড়া ১৫০০-২০০০ হাজার টাকা হারে ইচ্ছেমতো ভাড়া আদায় করছে গাড়ির চালকরা।একই চিত্র অন্যান্য পরিবহন ক্ষেত্রেও। প্রতিবছর দুইটি ঈদে এই ধরনের লাগামহীন ভাড় নৈরাজ্য চলতে থাকে পিটিআই প্রধান সড়ক সহ গ্রাম অঞ্চলের সবগুলোতে। অনেকটা নিরুপায় হয়ে যাত্রীরা উল্লেখিত ভাড়া দিয়ে গন্তব্য স্থানে যাচ্ছেন। চালকদের বাহানা ফিরতিতে যাত্রী পাওয়া যায় না।
চালকদের এসব তালবাহানা আর যাত্রী হয়রানি দেখে বাঁশকালী উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় প্রতিরোধ সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ প্রয়োগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও সচেতনতামূলক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
পবিত্র ঈদুল আযহাতে ঘরমুখো মানুষের চাপের সুযোগে বিভিন্ন সড়কে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে যাত্রীদের ভোগান্তি সৃষ্টির অভিযোগ রয়েছে বিভিন্ন পরিবহনের বিরুদ্ধে।
(১৩ জুন) রাত ৮ টায় যাত্রীদের ভোগান্তি লাঘব নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গুনাগরী চৌমুহনী এলাকায় মোবাইল কোর্ট ও সচেতনতা মূলক পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে সড়কে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক ভাড়া আদায় ব্যতীত পরিবহন যান ব্যবহারসহ বিভিন্ন আইন সম্পর্কে সতর্ক করা হলেও গুরুতর অপরাধ না পাওয়ায় কোন মামলা দায়ের করা হয়নি।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন বাঁশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার( ভুমি) কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জসিম উদ্দিন।
এসময় সাথে ছিলেন বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম, রামদাস মুন্সি হাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ তপন কুমার বাকচী,বাঁশখালী ট্রাফিক সার্জেন রুবেল।
এসময় তারা বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাঁশখালী সড়কে নিরাপত্তা, যাত্রীসাধারণের ন্যায্য ভাড়া নিশ্চিতকরণ এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
সকালে অভিযান পরিচালনা করলেও বিকেলে একই
ভাড়া নৈরাজ চিত্র দেখা যায় সড়কে।