logo
নিরপরাধ মেম্বারকে আসামি করায় বাদী বদিউলের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি এলাকাবাসীর
সংবাদ প্রকাশিত:

চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে গেল বছরের ৩১ মার্চ সকাল ৯টায় স্থানীয় মৃত আহমদ হোসাইনের পুত্র বদিউল আলমের বাড়িতে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলেও, প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতারে সহায়তাকারী একজন জনপ্রতিনিধিকে মামলায় আসামি করায় চরম ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী।

ঘটনার দিন ডাকাতির খবর শুনে স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) ও মৃত এজহার আহমদের পুত্র আব্দুল হামিদ, ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের নির্দেশে লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলেন এবং নিজ এলাকার তামাকক্ষেত থেকে ২ জন ও ইয়াংচা যৌত বাহিনীর চেকপোস্ট অতিক্রম করতে গিয়ে আরও ৩ জন ডাকাতকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। কিন্তু বিস্ময়করভাবে এই ঘটনায় দায়ের করা চকরিয়া থানার মামলা নং ৪৮/১২৩ তৎসহ,১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৩৫৪/৩৭৯/৩৪২/৫০৬ ধারায় আব্দুল হামিদ মেম্বারকেই ৪ নম্বর আসামি করা হয়।

পরবর্তীতে গত ১২ জুন ২০২৫ চকরিয়া থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে এবং ১৬ জুন তিনি জামিনে মুক্তি পান। হামিদ মেম্বার এলাকায় ফিরলে সর্বস্তরের মানুষ তাকে স্বাগত জানায় এবং তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী এলাকাবাসী জানান, বাদী বদিউল আলম একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ডাকাত। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, ডাকাতি সহ একাধিক মামলা রয়েছে। প্রকৃত অপরাধী হয়েও সে নিরপরাধ জনপ্রতিনিধিকে জড়িয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।

এলাকাবাসী হামিদ মেম্বারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং বাদী বদিউলের বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

আরও পড়ুন  তেঁতুলিয়ায় রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে ডাকাতির চেষ্টা, আটক -১