- Purbodhara - https://purbodhara.com/ -

সরকারি ড্রেন দখল করে দোকানঘর নির্মাণ, পানিবন্দী চকরিয়ার নয়াপাড়া

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড নয়াপাড়া এলাকায় সরকারি ড্রেন দখল করে দোকানঘর নির্মাণের ফলে চরম জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে শত শত পরিবার। বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ঘরবাড়ি, কৃষিজমি, কবরস্থান ও মসজিদ—সবকিছুই পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ক্ষোভে ফুঁসছে জনপদ।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উত্তর সুরাজপুর এলাকার আনোয়ার হোসেনের তিন পুত্র—আব্দুস সামাদ, বেলাল ও গিয়াসউদ্দিন—সরকারি খাসজমি দখল করে সরকারি ড্রেনের ওপর পাকা দোকানঘর নির্মাণ করেছেন। এতে এলাকার একমাত্র পানি নিষ্কাশনের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে।

বর্ষা এলেই সৃষ্টি হয় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা। গত এক সপ্তাহের বৃষ্টিতে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। এলাকার শিক্ষার্থী, রোগী, নারী ও বৃদ্ধরা হাঁটুপানিতে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন। বিপুল পরিমাণ ফসলেরও ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা।

গত ৯ জুলাই স্থানীয়রা স্বেচ্ছাশ্রমে ড্রেন পরিষ্কার করতে গেলে দখলদারপক্ষ বাধা দেয় এবং লাঞ্ছিত করে কয়েকজন বাসিন্দাকে। অভিযোগ উঠেছে—তাদের পেছনে রয়েছে একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মদদ।

পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আনেন এলাকাবাসী। ১০ জুলাই ভোরে সহকারী কমিশনার (ভূমি), চকরিয়া ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানিক দল ঘটনাস্থলে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে দখলদাররা ড্রেনের কিছু অংশ খুলে দেয়।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ—এই উদ্যোগ সাময়িক, স্থায়ী সমাধান হয়নি। দখলদারদের বিরুদ্ধে এখনো পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উপরন্তু, অভিযানের আগে সাংবাদিক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেছে দখলদারপক্ষ, যা স্থানীয় সংবাদকর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি), চকরিয়া বলেন, “অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করেছি। দখলদাররা পালিয়ে গেছে। তবে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এলাকাবাসীর দাবি—দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এমন দখলবাজি চললেও প্রশাসন নীরব ছিল। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং টেকসই ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

.u79d14cc28a779bceb1d9db4538af70cb { padding:0px; margin: 0; padding-top:1em!important; padding-bottom:1em!important; width:100%; display: block; font-weight:bold; background-color:#eaeaea; border:0!important; border-left:4px solid #34495E!important; text-decoration:none; } .u79d14cc28a779bceb1d9db4538af70cb:active, .u79d14cc28a779bceb1d9db4538af70cb:hover { opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; text-decoration:none; } .u79d14cc28a779bceb1d9db4538af70cb { transition: background-color 250ms; webkit-transition: background-color 250ms; opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; } .u79d14cc28a779bceb1d9db4538af70cb .ctaText { font-weight:bold; color:#464646; text-decoration:none; font-size: 16px; } .u79d14cc28a779bceb1d9db4538af70cb .postTitle { color:#000000; text-decoration: underline!important; font-size: 16px; } .u79d14cc28a779bceb1d9db4538af70cb:hover .postTitle { text-decoration: underline!important; }
আরও পড়ুন  আবারো রক্তাক্ত চট্টগ্রাম, এবার হালিশহরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা