- Purbodhara - https://purbodhara.com/ -

সালাহউদ্দিনকে কটূক্তি, চকরিয়ায় এনসিপির মঞ্চ ভাঙচুর

আবারও জাতীয় নাগরিক পার্টির পথসভায় হামলা। এবার কক্সবাজারের চকরিয়ায় দলটির মঞ্চ ভেঙে দিল স্থানীয় বিএনপির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। চকরিয়া পৌর শহরের জনতা শপিং সেন্টার চত্বরে ট্রাকের ওপর করা হয়েছিল ওই মঞ্চটি।শনিবার (১৯ জুলাই) বিকেল পৌনে চারটার দিকে এনসিপির পথসভার জন্য তৈরি সেই মঞ্চটি ভেঙে দেয় বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, দুপুরে কক্সবাজার শহরে এক সমাবেশে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদকে নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য দেন। যা দলের নেতাকর্মীদের আঘাত করেছে।

জানা যায়, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যের পর চকরিয়াসহ কক্সবাজার জেলায় বিএনপির নেতাকর্মীরা পথে নেমে প্রতিবাদ জানান। বিকেল চারটা থেকে চকরিয়ায় মহাসড়কে তাদের মিছিল শুরু হয়। তারা সালাহউদ্দিনের পক্ষে স্লোগান দিতে থাকেন।

কিন্তু সালাহউদ্দিনকে নিয়ে কী বলেছিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী?

এনসিপির এই নেতা কক্সবাজারের সমাবেশে বলেন, ‘আগে নারায়ণগঞ্জে বিখ্যাত গডফাদার শামীম ওসমান ছিল। এখন শুনছি কক্সবাজারের নব্য গডফাদার শিলং থেকে এসেছে। ঘের দখল করছে, মানুষের জায়গাজমি দখল করছে। চাঁদাবাজি করছে। আবার নাকি সে সংস্কার বোঝে না। নাম না বললাম। কক্সবাজারের জনতা এ ধরনের সংস্কারবিরোধী, যে পিআর বোঝে না রাজপথে তাদের দেখিয়ে দেবে ইনশাআল্লাহ।’

ব্যস, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর এই বক্তব্যের পরই তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর থেকে এনসিপির পক্ষে মঞ্চ তৈরি করে মাইকিং করা হচ্ছিল। হঠাৎ বিকেল পৌনে চারটার দিকে কিছু লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে মঞ্চে হামলা করে। তারা এনসিপির মাইকিং করা লোকজনকে তাড়িয়ে দেয়। এরপর মঞ্চটি ভাঙতে শুরু করে।

এনসিপির চকরিয়া উপজেলা সংগঠক খাইরুল বাশার বলেন, ‘ছাত্রদল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে সমাবেশের মঞ্চ ভাঙচুর করেছে। ব্যানার ছিঁড়ে ও ট্রাকের কাচ ভাঙচুর করেছে। পরে বিএনপির নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থল দখল করে নানা স্লোগান দেয়।

.u310e819f44a916ee50736d0b8308ef66 { padding:0px; margin: 0; padding-top:1em!important; padding-bottom:1em!important; width:100%; display: block; font-weight:bold; background-color:#eaeaea; border:0!important; border-left:4px solid #34495E!important; text-decoration:none; } .u310e819f44a916ee50736d0b8308ef66:active, .u310e819f44a916ee50736d0b8308ef66:hover { opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; text-decoration:none; } .u310e819f44a916ee50736d0b8308ef66 { transition: background-color 250ms; webkit-transition: background-color 250ms; opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; } .u310e819f44a916ee50736d0b8308ef66 .ctaText { font-weight:bold; color:#464646; text-decoration:none; font-size: 16px; } .u310e819f44a916ee50736d0b8308ef66 .postTitle { color:#000000; text-decoration: underline!important; font-size: 16px; } .u310e819f44a916ee50736d0b8308ef66:hover .postTitle { text-decoration: underline!important; }
আরও পড়ুন  ঈদগাঁও থানার প্রথম নারী ওসি ফরিদা ইয়াসমিন

এ ব্যাপারে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ ও সেনাবাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। মঞ্চ ভাঙচুরের বিষয়টি এখনো আমরা জানি না।’

এর আগে গত ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জ শহরে এনসিপির পথসভায় হামলা চালিয়ে মঞ্চ ভাঙচুর করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ। এ নিয়ে পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের তুমুল সংঘর্ষ বাঁধে। তাতে কয়েকজন নিহত হন।

ওই ঘটনার জেরে গত বুধবার রাত থেকেই গোপালগঞ্জ শহরজুড়ে কারফিউ ঘোষণা করে সরকার, যা এখনো বহাল রয়েছে। সেই ঘটনার রেশ না কাটতেই ফের আরেকটি ঘটনার সূচনা।