চট্রগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলা সদর জলদীতে সাতটি খুচরা ও পাইকারি ওষুধের দোকানে অভিযান চালিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। বাঁশখালী উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) মো: ওমর সানী আকন্দের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের ড্রাগ সুপার মো: ফজলুল হক ও আবির হাসান।
০৭ সেপ্টেম্বর’২৫ ইং রবিবার বিকেল ৪:৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬:০০টা অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মোট ৭(সাত)টি ফার্মেসীতে অভিযান পরিচালনার সময় মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ সহ বিক্রির জন্য ফিজিসিয়ান সেম্পল মেডিসিন পাওয়া যায় বলে জানিয়েছেন উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভুমি) ওমর সানী আকন্দ। যে সকল ফার্মেসীতে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ সহ পিজিসিয়ান সেম্পল পাওয়া যায় সে সকল ফার্মেসী গুলো হল, নিগমানন্দ মেডিকেল, মদিনা ফার্মেসী, মায়ের দোয়া ফার্মেসী, ইসলামিয়া ফার্মেসী, আকতার ফার্মেসী, ইকবাল ফার্মেসী ও ফাহিম মেডিকেল। মোট সাত টি ফার্মেসীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত মোবাইল কোড পরিচালনায় প্রত্যক ফর্মেসীতে সর্তকতা মূলক ভাবে পাঁচ হাজার(৫,০০০/-) টাকা করে জরিমানা করেন।
উপজেলা সহকারি কমিশনার মো:ওমর সানী আকন সাপ্তাহিক পূর্বধারাকে জানান, আজকের অভিযানে আমরা মোট সাত টি খুচরা/পাইকারি ফার্মেসী কে ৫,০০০/- পাঁচ হাজার করে সর্তকতা মূলক ভাবে জরিমানা করি।এবং প্রত্যক ফার্মেসীকে সর্তক করা হল যে তাদের ফ্রিজ পরিবর্তন করতে।একটা ফ্রিজে ওষুধ রাখার জন্য যে পরিমান ট্রেম্পারেচার থাকার কথা সে পরিমান ট্রেম্পারেচার ফ্রিজে নাই এবং সে সাথে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ যেন না রাখে সর্তক করা হল এবং ফিজিসিয়ান সেম্পল যেন না পাওয়া যায় সে সর্তক ও করা হল।এবং ড্রাগ-সুপারকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে সে সাথে পুলিশ কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা দিক দিয়ে বাঁশখালী থানার পুলিশ কে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) ওমর মো: ওমর সানী আকন।


