logo
মধ্যনগরের ভাঙা কুঁড়েঘরে মা–মেয়ের দুর্বিসহ জীবন, প্রয়োজন মানবিক সহযোগিতার
সংবাদ প্রকাশিত:

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার ১নং উত্তর বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের কার্তিকপুর গ্রামের মোছাঃ সুমলা বেগম (৮০) ও তার মেয়ে মোছাঃ লাল বানু (৫৫) দীর্ঘদিন ধরে নানা জটিল রোগে ভুগছেন এবং অতি দুঃসহ জীবন কাটাচ্ছেন। অভাব-অনটন ও চিকিৎসাহীনতার কারণে তাদের জীবনযাত্রা ক্রমেই মানবেতর রূপ নিয়েছে।

পরিবার ও প্রতিবেশীদের সূত্রে জানা যায়, সুমলা বেগমের গালের এক পাশে প্রথমে ফোলা দেখা দেয়, পরে ডান গালে বড় আকারের টিউমার জাতীয় বৃদ্ধি হয়। অন্যদিকে তার মেয়ে লাল বানু অর্ধ-প্যারালাইস হয়ে বহুদিন শয্যাশায়ী। স্বামী ফয়সাল আহমেদও বৃদ্ধ ও অসহায়। পরিবারের কোনো আয়ের উৎস না থাকায় তারা চিকিৎসা করাতে পারছেন না।

তাদের নিজস্ব কোনো জমি-জায়গা নেই। বর্তমানে তারা অন্যের একটি ভাঙা কুঁড়েঘরে বসবাস করছেন। ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়াও করতে পারছেন না, অনেক সময় না খেয়ে থাকতে হয়।

প্রতিবেশী শাহজাহান খান বলেন, “তারা সঠিকভাবে খেতে পারছে না। মাঝে মধ্যে গ্রামবাসীরা সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করেন। কিন্তু চিকিৎসার অভাবে মা-মেয়ে দুজনের অবস্থাই দিন দিন খারাপ হচ্ছে।”

অসুস্থ মা ও মেয়ে “দেশ বাংলা প্রতিদিনের” মধ্যনগর উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ কাইয়ুম বাদশাহকে জানান, “আমাদের দেখাশোনার কেউ নেই। যদি দেশ-বিদেশের হৃদয়বান মানুষ আমাদের পাশে দাঁড়ান, আমরা হয়তো সুস্থ হয়ে বাঁচতে পারব। বিশেষ করে আমাদের সম্মানিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল রায় যদি আমাদের দিকে নজর দেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন, আমরা চিরকাল ওনার কাছে কৃতজ্ঞ থাকব।”

স্থানীয়রা জানান, সরকারি ও বেসরকারি সহায়তায় মা-মেয়ের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা এখন সময়ের বড় দাবি।

আরও পড়ুন  সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে ইউনিয়নে জিয়া সৈনিক দলের আংশিক কমিটি গঠন