- Purbodhara - https://purbodhara.com/ -

যারা কোটি টাকার বাণিজ্য করতে পারবে না,তারাই পিআর ঠেকাতে চায় -মিয়া গোলাম পরওয়ার

৫ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২.৩০টায় রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর ডাকে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল আয়োজন করে।উক্ত সমাবেশ কোরআন তেলোয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার,কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন , মাওলানা মমতাজ উদ্দিন,রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য,অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী,আমির,রংপুর জেলা শাখা।

এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা এনামুল হক,সেক্রেটারি রংপুর জেলা শাখা,অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল,কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য,কেএম আনোয়ারুল হক কাজল,সেক্রেটারি রংপুর মহানগর শাখা,অধ্যাপক রায়হান সিরাজী,সহকারী সেক্রেটারি রংপুর মহানগর শাখা, নুরুল হুদা,সভাপতি,বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রংপুর মহানগর ও ফিরোজ মাহমুদ সভাপতি,বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রংপুর জেলা শাখা। উক্ত সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন এটিএম আজম খান,আমির,রংপুর মহানগর শাখা,বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ৫ দফা দাবি আদায় না হওয়ার পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরবো না।আগামী ২৬ তারিখে জেলা-উপজেলা, গ্রাম-গঞ্জে,পাড়া মহল্লায় এই দাবি নিয়ে জামায়াত বিক্ষোভ সমাবেশ করবে। আমাদের দাবিগুলো -জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন, জাতীয় নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি চালু, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, ফ্যাসিস্ট সরকারের জুলুম-নির্যাতন ও দুর্নীতির বিচার এবং জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।

তিনি বলেন, দেশের ৭০ ভাগ মানুষ (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পিআর পদ্ধতি চায়।পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে প্রত্যেক ভোটারের মূল্যায়ন হবে। একটি রাজনৈতিক দল এটা চায় না,কারণ তারা কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য করতে পারবে না। আমরা বলেছি উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ উভয়ে পদ্ধতি লাগবে।ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হউক আমরাও চাই, কিন্তু লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি না করলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। আমিরে জামায়াত আগেই বলেছে ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন সময়োপযোগী সময়। জামায়াতসহ বেশ কয়েকটি ইসলামী দলের নেতাকর্মীরা পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের জন্য গত কয়েকমাস ধরে দাবি জানিয়ে আসছে। তারা বলছেন, দাবি আন্দোলনের মাঠে নামা হবে। তবে বিএনপি এই দাবির বিপক্ষে।

.u62bf18eb16bd29d3be6ef8a0fb13463a { padding:0px; margin: 0; padding-top:1em!important; padding-bottom:1em!important; width:100%; display: block; font-weight:bold; background-color:#eaeaea; border:0!important; border-left:4px solid #34495E!important; text-decoration:none; } .u62bf18eb16bd29d3be6ef8a0fb13463a:active, .u62bf18eb16bd29d3be6ef8a0fb13463a:hover { opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; text-decoration:none; } .u62bf18eb16bd29d3be6ef8a0fb13463a { transition: background-color 250ms; webkit-transition: background-color 250ms; opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; } .u62bf18eb16bd29d3be6ef8a0fb13463a .ctaText { font-weight:bold; color:#464646; text-decoration:none; font-size: 16px; } .u62bf18eb16bd29d3be6ef8a0fb13463a .postTitle { color:#000000; text-decoration: underline!important; font-size: 16px; } .u62bf18eb16bd29d3be6ef8a0fb13463a:hover .postTitle { text-decoration: underline!important; }
আরও পড়ুন  হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা, ৩৫ জেলায় নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ

আমরা যখনই পিআর পদ্ধতির কথা বলি তখনই আপনি সংবিধান দেখান। সংবিধান মানলে তো আপনি যে চেয়ারে বসে আছেন সেটা অবৈধ। সংবিধান মানলে তো শেখ হাসিনার সংবিধান অনুযায়ী ২৪ এর পর পাঁচ বছর পর ২৯ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তাহলে ২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের কথা কেন বলছেন?

গণভোট সম্পর্কে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন,সরকার জনগণের মত যাচাই না করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সাথে আলাপ করে জুলাই সনদ কে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।তারা বলতেছে নির্বাচিত সরকার হলে জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হবে। কিন্তু বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী এটা মানবে না। জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হলে লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হবে। জুলাই ঘোষণাপত্র বিএনপিকে দেখানো হলেও আমাদেরকে দেখানো হয়নি। তাই বিএনপি এতো খুশি। কিন্তু প্রশ্ন হলো আমরা এতদিন সংস্কারের পেছনে সময় দিলাম কেন?এর দরকারই বা কী ছিল?
কী ছিল?
সংস্কার কমিশনে যেসব বিষয়ে সবার মত হয়েছিল, তা জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এজন্য সরকারকে সংবিধান অনুযায়ী নির্দেশনা জারি করতে হবে এবং গণভোটের আয়োজন করতে হবে। রাজনৈতিক সংস্কারের বিষয় আদালতে নেওয়া যাবে না।এতে শুধু জটিলতা বাড়বে।শেখ হাসিনা অতীতে আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন,এটা আর চলবে না। ফ্যাসিস্ট সরকারের গণহত্যা, গুম,খুন, লুটপাট, জুলুম-অত্যাচার ,দুর্নীতির বিচার দেশবাসী দেখতে চায়। সেই সাথে স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট শক্তির দোসর জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে হবে। এই দাবি এখন জনগণের প্রাণের দাবি, প্রত্যাশার দাবি হয়ে উঠেছে।

সমাবেশ শেষে হাজার হাজার নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি পাবলিক লাইব্রেরি মাঠ থেকে শুরু হয়ে শাপলা চত্বরে রংপুর জেলা জামায়াত অফিসে গিয়ে শেষ হয়।