বারবাকিয়ায় মোবাইল চুরির ঘটনায় প্রকৃত
কক্সবাজারের পেকুয়ার বারবাকিয়া ইউনিয়নে মোবাইল ফোন চুরির ঘটনায় প্রকৃত চোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পূর্বে দায়েরকৃত মামলায় নির্দোষ এক যুবককে মিথ্যা ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী ইয়াসমিন আক্তার (স্বামী: আব্দুল মান্নান), বারবাকিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। প্রায় ২০ দিন আগে তার এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন চুরি হয়। পরে চুরি হওয়া মোবাইলটি একই এলাকার সিরাজ মার্কেটের ব্যবসায়ী মৃত নুরুল আলমের ছেলে মোহাম্মদ হানিফ ওরফে হানুকে মাত্র দুই হাজার টাকায় বিক্রি করে চোর ছমিউদ্দীন (২৬)। সে রাজাখালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড বদিউদ্দীন পাড়ার মৃত বদিউল আলম ও ছেনুয়ারা বেগমের ছেলে।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী ইয়াসমিন আক্তার বাদী হয়ে চকরিয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা (দঃবি ৪৪৮/৩৮০/৫০৬(২) ধারায়) দায়ের করেন। মামলায় একই এলাকার আবুল শমা ওরফে লেদুর ছেলে দেলোয়ার প্রকাশ দেলোকে আসামি করা হয়।
মামলার তদন্তভার পড়ে পেকুয়া থানার এসআই সাইদুর রহমান (পিপিএম)-এর উপর। তিনি জানান, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ ও স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপ করে তদন্ত চালানো হয়। এতে প্রকৃত অপরাধী হিসেবে ভবঘুরে ছমিউদ্দীনের নাম উঠে আসে। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হলে সে স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য দেয় এবং চুরি যাওয়া মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
এদিকে মিথ্যা মামলায় আসামি করা হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেলোয়ারের পিতা আবুল শমা ওরফে লেদু। তিনি বলেন, “আমার ছেলেকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ফাঁসানো হয়েছে। এতে আমাদের পরিবারের সামাজিক সম্মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে। আমি ন্যায়বিচার চাই।”
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সাইদুর রহমান বলেন, “আমরা আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিক তদন্ত করেছি। প্রকৃত অপরাধীকে গ্রেপ্তার ও চুরি হওয়া মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হবে।”
