- Purbodhara - https://purbodhara.com/ -

সাংবাদিকদের কাজের স্বাধীনতা নিয়ে কি বললেন  জাতিসংঘ মহাসচিব

সাংবাদিকদের কাজের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বিশ্বের সব দেশের সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপরাধের বিচারহীনতা বন্ধের আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রতি বছর ২ নভেম্বর বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়।

জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতিতে মহাসচিব বলেন, সত্যের সন্ধানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে কাজ করা গণমাধ্যমকর্মীরা ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির মুখে পড়ছেন। তারা মৌখিক নিপীড়ন, আইনি হুমকি, শারীরিক হামলা, কারাবাস ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। এমনকি অনেক সাংবাদিককে জীবন দিতে হচ্ছে।

গুতেরেস বলেন, ‘সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপরাধের বিচারহীনতা বন্ধের এই আন্তর্জাতিক দিবসে আমরা ন্যায়বিচারের দাবি জানাচ্ছি। বিশ্বজুড়ে সাংবাদিক হত্যার প্রায় ১০টির মধ্যে ৯টিরই বিচার এখনো অমীমাংসিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে যেকোনো সংঘাতের মধ্যে গাজা সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে ভয়াবহ জায়গায় পরিণত হয়েছে। আমি আবারও এসব ঘটনার স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানাচ্ছি।’

জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, ‘যেকোনো জায়গায় বিচারহীনতা শুধু ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের প্রতিই অন্যায় নয়; বরং এটি সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর আঘাত, আরও সহিংসতাকে উৎসাহ দেওয়া এবং গণতন্ত্রের প্রতি হুমকি।’

তিনি বলেন, সব সরকারের উচিত প্রতিটি ঘটনার তদন্ত করা, অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা এবং সাংবাদিকরা যাতে সর্বত্র স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা।

আন্তোনিও গুতেরেস নারী সাংবাদিকদের অনলাইনে ক্রমবর্ধমান হয়রানিমূলক আচরণের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের অপরাধের বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই শাস্তি হয় না, অথচ এর ফল বাস্তব জীবনে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। সাংবাদিকদের জন্য ডিজিটাল দুনিয়াকে নিরাপদ রাখা জরুরি।’

জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, ‘যখন সাংবাদিকদের কণ্ঠ রুদ্ধ হয়, তখন আমরা সবাই আমাদের কণ্ঠস্বর হারাই। আসুন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং যারা ক্ষমতার বিপরীতে সত্য তুলে ধরেন, তাঁরা যেন ভয় ছাড়াই কাজ করতে পারেন—সে পরিবেশ আমরা একসাথে গড়ে তুলি।’

.u733dbce4eb421d639d6c9481146563b1 { padding:0px; margin: 0; padding-top:1em!important; padding-bottom:1em!important; width:100%; display: block; font-weight:bold; background-color:#eaeaea; border:0!important; border-left:4px solid #34495E!important; text-decoration:none; } .u733dbce4eb421d639d6c9481146563b1:active, .u733dbce4eb421d639d6c9481146563b1:hover { opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; text-decoration:none; } .u733dbce4eb421d639d6c9481146563b1 { transition: background-color 250ms; webkit-transition: background-color 250ms; opacity: 1; transition: opacity 250ms; webkit-transition: opacity 250ms; } .u733dbce4eb421d639d6c9481146563b1 .ctaText { font-weight:bold; color:#464646; text-decoration:none; font-size: 16px; } .u733dbce4eb421d639d6c9481146563b1 .postTitle { color:#000000; text-decoration: underline!important; font-size: 16px; } .u733dbce4eb421d639d6c9481146563b1:hover .postTitle { text-decoration: underline!important; }
আরও পড়ুন  আরব আমিরাত গুজব এবং মিথ্যা খবর ছড়ানোর বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ