আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে জনগণের প্রত্যাশা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণভোটের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও নির্বাহী পরিষদ সদস্য মুহাম্মদ শাহজাহান। তিনি বলেন, “দাঁড়িপাল্লা জিতলে আপনি জিতবেন, বাংলাদেশ জিতবে।”
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে কক্সবাজার পাবলিক হলে কক্সবাজার–৩ (সদর–রামু–ঈদগাঁও) সংসদীয় আসনের ঈদগাঁও ও রামু উপজেলার কেন্দ্র প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
কক্সবাজার–৩ সংসদীয় আসন পরিচালনা কমিটির পরিচালক ও জেলা নায়েবে আমীর এডভোকেট ফরিদ উদ্দিন ফারুকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিনিধি সম্মেলনে মুহাম্মদ শাহজাহান আরও বলেন,
“আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে অবশ্যই জনআকাঙ্ক্ষার আলোকে গণভোট আয়োজন করতে হবে। জনগণই নির্ধারণ করবে তারা কেমন সরকার ও রাষ্ট্রব্যবস্থা চায়। গণভোট ছাড়া প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।”তিনি আরও বলেন,
“দাঁড়িপাল্লা কেবল একটি প্রতীক নয়, এটি ন্যায়বিচার, উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার প্রতীক। এই প্রতীকের জয়ে দেশের মানুষ জিতবে, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জিতবে। তাই সামাজিক সুবিচার ও দেশের গুণগত পরিবর্তনের জন্য দাঁড়িপাল্লা বিজয়ের লক্ষ্যে সবাইকে কাজ করতে হবে।”
তরুণ সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন,
“তারুণ্যই জাতির শক্তি। দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টিতে তরুণদেরই অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের লড়াই তারুণ্যের হাত ধরেই সফল হবে ইনশা আল্লাহ।”
সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার–৩ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী শহিদুল আলম বাহাদুর। তিনি বলেন,
“কক্সবাজার–চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করা, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ও পর্যটন শিল্পের টেকসই উন্নয়ন, ঈদগাঁও ও রামুর অবকাঠামো আধুনিকায়ন—এসবই আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও উন্নয়ন কর্মসূচির অগ্রাধিকার।”
তিনি আরও বলেন,
“দাঁড়িপাল্লা মানে ইনসাফ, সুশাসন ও জনগণের অধিকার। তাই আগামীর নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা নায়েবে আমীর মুফতী মাওলানা মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, জেলা সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি দেলাওয়ার হোসাইন প্রমুখ।
সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন জেলা সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও আসন সদস্য সচিব আল আমীন মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রামু উপজেলা আমীর ফজলুল্লাহ মো. হাসান, ঈদগাঁও উপজেলা আমীর মাওলানা সেলিম উল্লাহ জিহাদী, রামু উপজেলা নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ রফিক, সেক্রেটারি আ.না.ম হারুন, ঈদগাঁও উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা ছৈয়দ নূর হেলালী, সেক্রেটারি মাওলানা নূরুল আজিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
