বাঁশখালী আসনে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত মো. লেয়াকত আলী বলেছেন, ‘আমি মজলুম।
বিএনপি’র দুর্দিন আন্দোলন সংগ্রামে আমার মত কারা নির্যাতিত নেতা বাঁশখালীতে আর কেউ নেই। বিগত ১৭ বছর আওয়ামীলীগ সরকার বিভিন্ন কায়দায় আমাকে নির্যাতন করে মামলার আসামি করেছে। স্কুল জীবন থেকে আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু । আমার বাবা একেবারে ছোটও না আবার বড়ও না সাধারণ মাজারি ধরনের একজন কৃষক। আমার কোন চাচা মামা রাজনীতিতে নেই যাদের বদন্নতায় বা সুপারিশে আমি নমিনেশন পাব। বাবার টাকা খরচ করে রাজনীতি করেছি। আমার বাবা আমাকে বলতেন কৃষক আর শ্রমিকের ছেলে রাজনীতিতে বড় নেতা হতে পারে না। অনেকদিন পর হলেও বাবার কথাটা আজকে বুঝতে পারতেছি।
মূলত কৃষকের ছেলে হওয়ার কারণে আমাকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।
বিএনপি জনগণ থেকে কোন বিচ্ছিন্ন দল নয়, আমিও জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন নয় আমার শেষ আশ্রয়স্থল হলো দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তারেক রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি বজ্র কন্ঠে সমাবেশ থেকে তিনি আবেদন রাখেন আল্লাহর ওয়াস্তে বাঁশখালীর লক্ষ মানুষের প্রতি সম্মান জানাবেন।
আমার সঙ্গে আছে বাঁশখালীর জনসাধারণ। দল আমাকে ভুলে গেলেও জনগণ আমাকে ভুলে যায়নি। আমাকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করবেন না।’
শনিবার (২২ নভেম্বর) বাঁশখালী জলদি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমি সাধারণ কৃষকের সন্তান। ৪০ বছরের ত্যাগের মূল্য মানুষ আজ ভালোবাসা দিয়ে দিয়েছে। শেখ হাসিনার আমলে ১৭ বছর আমাকে বিভিন্ন মামলা-হামলার মাধ্যমে টার্গেট করা হয়েছে। ২০২৩ সালে মতপ্রকাশের অভিযোগে আমাকে চেয়ারম্যান থেকে বরখাস্ত করা হয়।’
লেয়াকত আলী আরও বলেন, ‘চট্টগ্রাম দক্ষিণের অনেক নেতাই কর্মীদের পাশে ছিলেন না, কিন্তু আমি সবসময় কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। আমার শেষ আস্তা তারেক রহমান ও খালেদা জিয়ার প্রতি। বাঁশখালীর মানুষের প্রত্যাশা তারা পূরণ করবেন বলে বিশ্বাস করি।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাঁশখালী উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. সরওয়ার আলম। এসময় ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দও বক্তব্য রাখেন।
