আজ ৫ নভেম্বর, জীবনমুখী লেখক ও কথাকার নুরুল মুহাম্মদ কাদেরের জন্মবার্ষিকী। ১৯৭৯ সালের এই দিনে বাঁশখালী উপজেলার পশ্চিম বড়ঘোনা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। পেশাগত জীবনে চাকরিজীবী হলেও জীবনমুখী লেখালেখির মধ্য দিয়ে তিনি সাহিত্যজগতে ‘জীবনমুখী কথাকার’ হিসেবে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছেন।
জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত লেখালেখির মাধ্যমে তিনি সমাজসচেতনতামূলক বিভিন্ন দিক ফুটিয়ে তুলেছেন। পাশাপাশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষা ও সেবামূলক কার্যক্রমে রেখে চলেছেন অনন্য অবদান।
সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— কেসিদে ইনস্টিটিউট (অফিসার্স ক্লাব), বাংলাদেশ কালেক্টরেট সহকারী সমিতি (বাকাসস), দি চিটাগাং কো-অপারেটিভ অফিসার্স সোসাইটি লিমিটেড, ব্লাডফ্রেন্ড সোসাইটি, বাঁশখালী সমিতি, গণ্ডামারা ইউনিয়ন উন্নয়ন পরিষদ চট্টগ্রাম, বাঁশখালী ফাউন্ডেশন, সম্প্রীতি পরিষদ এবং এসএসসি ব্যাচ’৯৫ বাঁশখালী।
সাহিত্য ও সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘সাপ্তাহিক বিচিত্রা সেরা গল্পিক পুরস্কার’সহ বহু সম্মাননা স্মারক অর্জন করেছেন।
এই অনন্য কথাকারের প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে— প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ ‘বিয়ে ও সংসার’ (২০১২), দ্বিতীয় গ্রন্থ ‘খতিয়ান কথন’ (২০১৭) এবং তৃতীয় গ্রন্থ ‘বিজ্ঞানের হঠাৎ আবিষ্কার’ (২০১৯)। তাঁর প্রতিটি বই পাঠকমহলে ব্যাপক সমাদৃত ও প্রিয়তা অর্জন করেছে। এছাড়া তিনি কেসিদে ইনস্টিটিউট (অফিসার্স ক্লাব)-এর নিয়মিত প্রকাশনা ‘প্রয়াস’ এবং গণ্ডামারা ইউনিয়ন উন্নয়ন পরিষদ চট্টগ্রামের স্মারক গ্রন্থ ‘শ্রুতি ও স্মৃতি’ ২০২২-এর সম্পাদকের দায়িত্বও সফলভাবে পালন করেছেন।
আজ তাঁর জন্মদিনে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, শুভানুধ্যায়ী ও পাঠকদের পক্ষ থেকে তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

