প্রাপ্তির আনন্দ; মোহাম্মদ ইউনুস

"বিদায় সংবর্ধনা"

নিজস্ব প্রতিবেদক:

শেয়ার করুন

বিদায় সংবর্ধনা’ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা- কর্মচারীদের জন্য জন্মসৃষ্টি লগ্নের একটি প্রথা। তবে রূপে, ধরণে, পরিধিতে, ব্যক্তি বিশেষের ভাগ্যের কারণে ছিল ভিন্নতা। আদিতে যে শাখা থেকে জনপ্রশাসনের সেবকরা অবসর নিতো ওই শাখাই ছোট পরিসরে তাদের বিদায় জানাতো। এটাই ছিল চিরাচরিত।

চিন্তা, চেতনা, মনন, সৃজনের পরিবর্তিত রূপের আঁচ ধরে বিষয়টি স্টাফ রিভিউ সভায় উপস্থাপন হলে তৎকালীন জেলা প্রশাসক স্যার সংবর্ধনার বিষয়টি প্রশাসনের সব শাখার সম্মিলনে করার নির্দেশনা প্রদান করেন। তবে নানান জটিলতায় ক্ষণেক্ষণে থেমে গেছে এ যাত্রা। বিপরীতে আমার বিদায়ক্ষণে আমার জীবনের ভাগ্যাকাশে থেমে যাওয়া কালো মেঘ সড়ে গিয়ে সুর্যের আলোকচ্ছটা দীপ্তি ছড়িয়েছে। আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জ্ঞাপন করি, আমার বিদায় বেলায় প্রশাসন আমার মতো নির্মোহ ব্যক্তিকে স্মরণ করেছে। সম্মাননা দিয়েছে, কাজের স্বীকৃতি দিতে এতটুকু কুন্ঠাবোধ করেনি। অজস্র কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট জনাব ফরিদা খানম স্যারকে। তাঁর নির্দেশনা, অধীনস্থের প্রতি অগাধ বিশ্বাস, স্নেহ আমার বিদায় বেলাকে উপভোগ করতে পেরেছি, নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে পেরেছি, পুষ্পিত-নন্দিত হয়েছি।

আলহামদুলিল্লাহ। সময়টিকে স্মরণীয় করতে জেলা প্রশাসক মহোদয় ছাড়াও আজ (মঙ্গলবার) সংবর্ধনা সভায় উপস্থিত থেকে আমাকে দোয়া, ভালবাসা দিয়ে সিক্ত করেছেন উপ-পরিচালক স্থানীয় সরকার বিভাগ জনাব নোমান হোসেন স্যার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জনাব মো. কামরুজ্জামান স্যার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সৈয়দ মাহবুবুল হক স্যার, সিনিয়র সহকারী কমিশনার, এনডিসি, সহকারী কমিশনার স্যাররা। আমি আমার কর্মজীবনের বিদায়ক্ষণে স্যারদের ভালবাসাকে জীবনের সর্বোচ্চ প্রাপ্তি হিসেবেই গ্রহণ করেছি, পাশাপাশি কৃতজ্ঞতায় নত হয়েছি।

আরও পড়ুন  গোপালগঞ্জ রণক্ষেত্র
শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন