বাঁশখালীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দোকান নির্মাণের অভিযোগ

মোহাম্মদ এরশাদ বাঁশখালী( চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দোকান নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে, আবু ছালেক নামে এক প্রভাবশালী দোকান ভাড়ার কথা বলে মৃত হাজী মফজল আহমদের ছেলে মৌ. আনোয়ারুল ইসলামের জায়গাতে জোরপূর্বক দোকান নির্মাণ করছে বলে অভিযোগ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে। নিরব দর্শকের ভুমিকায় পুলিশ।উপজেলার বাহারচড়া ইউনিয়নের রত্নপুর ৩ নং ওয়ার্ড এলাকার উপকূলীয় রেঞ্জ অফিস সংলগ্ন চুনতি বাজারে এঘটনা ঘটেছে।ভুক্তভোগী মৌলানা আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আমার মালিকানাধীন হালিমা পাড়া মৌজার আরএস ৭২ নং খতিয়ানের ৫৯০ নং দাগের বিএস ১০৯ খতিয়ানের ৬১৭ নং দাগের ৩০ শতক জায়গার অধীনে ১ গন্ডা ভরাটকৃত আমার দোকান ভিটা ভাড়ার কথা বলে একই এলাকার মৃত মুন্সি মিয়ার পুত্র অভিযুক্ত আবু ছালেক ও ছাবের আহমেদের পুত্র নুরুল কবির গংরা প্রায় দেড়যুগের কাছাকাছি সময় ধরে জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে। তৎসময় ধরে জায়গার ভাড়া বাবত কোনো ধরনের টাকা জায়গার মালিক আনোয়ারুল ইসলামকে প্রদান না করে উক্ত জায়গাতে জোরপূর্বক দোকান নির্মাণ করে যাচ্ছে অভিযুক্ত প্রভাবশালী আবু ছালেক গংরা।এবিষয়ে ভুক্তভোগী আনোয়ারুল ইসলাম বাদী হয়ে অভিযুক্ত নুরুল কবির ও আবু ছালেক গংদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আদালত, চট্টগ্রাম দক্ষিণে একটি নিষেধাজ্ঞার মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় বিবাদী পক্ষের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আদেশ জারি করেন আদালত। উক্ত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তড়িঘড়ি করে জোরপূর্বক দোকান নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালী আবু ছালেক।২৩ জুলাই বিকেলে সরেজমিনে পরিদর্শনকালে দোকান নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে।এসময় স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ বলেন, জায়গাটি মৌলানা আনোয়ারুল ইসলামের, আদালতের নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তড়িঘড়ি করে জোরপূর্বক দোকান নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে আবু ছালেক।এবিষয়ে জানতে অপরপক্ষের আবু ছালেকের সাথে যোগাযোগ জন্য একাধিক বার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।এবিষয়ে বাহারচড়া পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মজনু মিয়া বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে সেখানে পুলিশের করার কিছু নেই বলে ছাফ জবাব দেন তিনি।তবে এবিষয়ে বাঁশখালী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন,জায়গা দখল করা এমনিতেই অপরাধ, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা আরও একটি বড় ধরনের অপরাধ, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে জানান তিনি।

আরও পড়ুন  বিতর্কিত শিক্ষক নিয়োগে আলোচনায় কালেক্টরেট স্কুল-কলেজ
শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন