পেকুয়ায় তুচ্ছ ঘটনায় ব্যবসায়ীর দোকান ভাঙচুর-লুটপাট, আহত-৩

মোঃ দিদারুল ইসলাম, পেকুয়াঃ

শেয়ার করুন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ৩ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সদর ইউনিয়নের ছিরাদিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন মৃত রশিদ আহমদের পুত্র নেজাম উদ্দিন (৪০), মৃত আফতাব উদ্দিনের পুত্র সালাহ উদ্দিন (৩৪) এবং সবির আহমদের পুত্র আব্দু শুক্কুর (৩৩)। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

স্থানীয়রা জানান, পশ্চিম ছিরাদিয়া গ্রামের ব্যবসায়ী আব্দু শুক্কুরের মুদি ও চায়ের দোকানে কেরাম খেলা নিয়ে স্থানীয় এরশাদের ছেলে তাহসিন এবং প্রতিবেশী মৃত আব্দু রহিমের ছেলে দিহানের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। বিষয়টি জানার পর দিহানের স্বজন জিয়াবুল করিম, আইয়ুব খান, ইয়াসিন, এরশাদ, আজমগীর, আলমগীর, রাশেদ রাসেল, বোরহানসহ আরও কয়েকজন উত্তেজিত হয়ে শুক্কুরের দোকানে হামলা চালায়।

এসময় দোকান ভাঙচুর ও লুটপাটের পাশাপাশি শুক্কুরের বাড়ির লাগোয়া ঘেরাবেড়াও ভাঙচুর করা হয়। স্থানীয়রা বাধা দিলে হামলাকারীরা আরো উত্তেজিত হয়ে ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালালে অন্তত ৩ জন আহত হন।প্রত্যক্ষদর্শী সাজ্জাদ হোসেন ও মিরাজ বলেন, কেরাম খেলাকে কেন্দ্র করে শুক্কুরের দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। স্থানীয়রা প্রতিরোধ করতে গেলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়।

ব্যবসায়ী আব্দু শুক্কুর অভিযোগ করে বলেন, কেরাম খেলা নিয়ে শিশুদের সামান্য ঝগড়ার জেরে জিয়াবুল করিমের নেতৃত্বে ১৫–২০ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার দোকান ও বাড়িতে হামলা চালায়। কিরিচ দিয়ে দোকানের বেড়া কেটে তছনছ করে।আহত সালাহ উদ্দিন জানান, আমরা যুবদলের মিটিংয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ দেখি সশস্ত্র হামলা চালানো হচ্ছে দোকানে। বাধা দিতে গেলে আমাদের ওপরও আক্রমণ চালানো হয়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে জিয়াবুলের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও না পাওয়ায় বক্তব্য দেয়া সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিরাজুল মোস্তফা বলেন, ঘটনার বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন  বিদেশিদের হাতে যাচ্ছে কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন
শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন