তীব্র গরমে দক্ষিণ চট্টগ্রাম কক্সবাজার ও বান্দরবানে দিশেহারা জনসাধারণ

মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক, বান্দরবানঃ

শেয়ার করুন

তীব্র গরমে দক্ষিণ চট্টগ্রাম লোহাগাড়ায় উপজেলার জনসাধারণ। চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জোন একে র কার্যকলাপে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে লোহাগাড়ার জনগণ। যা ইচ্ছে তাই করেই যাচ্ছে এই বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম এজিএম যতগুলো সার্ভিস দেওয়ার লোক আছেন সবাই এক নৌকার মাঝি হিসাবে ধারণা করছেন জনগণ যারা রেডিং তোলার দায়িত্ব পালন করেন এরা রিডিং না তুলে ইচ্ছামতো রিডিং বানিয়ে দিচ্ছে। যে পরিবারের ২শত টাকা বিল আসার কথা সেখানে ২ হাজার টাকার উপরে বিল বানিয়ে কাগজ ধরিয়ে দিচ্ছে গ্রাহকের হাতে কিন্তু এত টাকার বিল পরিশোধ করার মত সামর্থ্য সবার কাছে নাই কারণ বেশিরভাগই গরিব ও মেহনতি মানুষ যার কারণে বিল পরিশোধ করতে হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ। প্রতিবাদ করতে গেলেও কাউকে পাত্তা দিচ্ছে না ওই অফিসের কর্মজীবীরা।তাই লোহাগাড়াবাসীর

একটাই প্রত্যাশাএসব জুলুমবাজ দের সবাইকে বদলি করা হোক এদের অত্যাচার আর সহ্য করবে না। এক তো লোডশেডিং তার ওপর বিদ্যুৎ অফিসের নির্যাতন কিভাবে তারা এই ভোগান্তির নিরেশন ঘটাবে। তবে এই ব্যাপার নিয়ে লোহাগাড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ইউনো মহোদয়ের আমলেও দেওয়া হয়েছে।

০৯/০৯/২০২৫ তারিখ রোজ মঙ্গলবার দুপুরে
সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি বিদ্যুতের কোন দেখা মিলছে না। জানা গেছে লোহাগাড়া উপজেলার
বড় হাতিয়া ইউনিয়নে মনু ফকির বাজার
সংলগ্ন এলাকায় একটা বিদ্যুতের খুটি থেকে সকাল ৮ঃ০০ ঘটিকায় ২২০ ভোল্টের ১টি তার ছিড়ে যায়।তাহা সংযোগ দেওয়ার জন্য বড় হাতিয়ার বিদ্যুৎ অফিসের
ইনচার্জকে ফোন করিলে জবাবে তিনি বলেন
ওরা ৪ জন ই নাকি ছুটি কাটাচ্ছেন কোন উপায় না দেখে ছুটে যাই চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ জোন( ১) এ ভিতরে ঢুকে দেখা যায় ডিজিএম এজিএম সবার অফিসে তালা বদ্ধ। মেইন ফটকে দেখা ষায় একজন সিকিউরিটি গার্ড তার কাছে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ অফিসের এই অবস্থা কেন ‘ সেই দৈনিকপ্রভাতী বাংলাদেশ কে বলেন সকাল থেকে কেউ অফিসে আসেনি। তিনি সিকিউরিটির গার্ডের দায়িত্ব পালন করছেন তার নাম জানতে চাইলে উত্তরে বলেন, তার নাম মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া সে নিজেও মর্মাহত বলেন তিনি।

আরও পড়ুন  যানজটে বন্দি পেকুয়া: সাইনবোর্ডে সতর্কতা, বাস্তবে নৈরাজ্য
শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন