তাড়াইল থানার ওসি’র ইতিবাচক তৎপরতা জনতার হৃদয় ছুঁয়েছে

আমিনুল ইসলাম রিপন, তাড়াইল(কিশোরগঞ্জ)

শেয়ার করুন

কিশোরগঞ্জে তাড়াইল থানার ওসি মোহাম্মদ সাব্বির রহমানের পুলিশি তৎপরতায় তাড়াইল উপজেলাবাসীর পুলিশ সম্পর্কে ধারনা পাল্টে গেছে।

পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের অভিযোগ অপবাদ লাঘবে ওসি মোহাম্মদ সাব্বির রহমানের বিচক্ষণতা অনেকাংশেই প্রশংসার দাবি রাখে। ওসি হিসেবে যোগদানের পর ইতিমধ্যেই সঠিক নিয়মের মধ্যে জনগণের শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ভূমিকায় তিনি চেষ্টা সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া সাধারণ জনতার মাকে দীর্ঘদিনের যে সংশয়, ভয় ছিল পুলিশ সহযোগিতার কাজে টাকা লাগবে এ সংশয়ও তিনি কাটিয়ে দিয়েছেন চিরতরে।

ওসি মোহাম্মদ সাব্বির রহমান যোগদানের পর থানায় প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের, কমে গেছে অকারণে জিডির প্রবণতা।

সাধারণ মানুষের ভয় কেটেছে পুলিশের প্রতি। সেবা প্রাপ্তির লক্ষ্যে পুলিশের দারস্থ হচ্ছে মানুষ।মোহাম্মদ সাব্বির রহমান থানার কর্মকর্তাদের নিয়ে বিভিন্ন তদারকি ও দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছেন।এতে পুলিশি হয়রানি থেকে সাধারণ মানুষের অনেকটাই মুক্তি মিলেছে। পুলিশের প্রতি নির্ভরশীলতার অভাবে অনেক মানুষেরাই ছোটখাটো কোনো বিষয় নিয়েও পুলিশের কাছে যেতে অনীহা ছিল। অনেকে নীরবে-নিভৃতে প্রভাবশালীদের ছোটখাটো জুলুম অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করে গেছেন।এতে অপরাধী অপরাধের মাত্রা ছাড়িয়ে ছিল।এসব সামাজিক সমস্যা নিরসনে ওসি মোহাম্মদ সাব্বির রহমান নিয়মিত মানুষের অভিযোগ শুনে থাকেন। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ায় অপরাধীদের উৎসাহে অনেকটাইে ভাঁটা পড়েছে এখন।তার এ উদ্যোগে চলমান থাকলে পুলিশের হারানো ভাবমূর্তি যেমন ফিরে আসবে, তেমনি মানুষের জীবনের সুখের সুবাতাস বইবে।সবকিছু মিলিয়ে তাড়াইল থানায় যোগদানের পর থেকে ওসি মোহাম্মদ সাব্বির রহমান সাধারণ মানুষের কাছে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন পুলিশ শোষক নয়, জনগণের বন্ধু।

যার ফলশ্রুতিতে তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার একজন শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার (তাড়াইল থানা ওসি)খ্যাতি অর্জন করেন।

এই সম্পর্কে তাড়াইল উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ সারোয়ার হোসেন লিটন বলেন,ওসি সাব্বির রহমান ইতিমধ্যে প্রমাণ করেছেন যে পুলিশ জনগণের শত্রু নয় জনগণের বন্ধু। তাড়াইল উপজেলাবাসীর পক্ষ থেকে ওসি সাব্বির রহমানকে ধন্যবাদ জানান।

আরও পড়ুন  ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন: প্রেসসচিব
শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন