অপপ্রচারে সম্মানহানির অপচেষ্টা’, প্রতিবাদ হান্নানের

৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি; সংবাদ প্রকাশে সত্যতা যাচাইয়ের আহ্বান

মাতামহুরী উপজেলা (কক্সবাজার) সংবাদদাতা

শেয়ার করুন

কক্সবাজারের একটি স্থানীয় পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগসহ তাকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদ ও প্রচারণাকে ভিত্তিহীন দাবি করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন মাতামুহুরী উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরুল হাসান হান্নান।

এক প্রতিবাদলিপিতে ইমরুল হাসান হান্নান বলেন, গত ১২ সেপ্টেম্বর ‘ইউএনওর নির্দেশ অমান্য করে রেডক্রিসেন্টের জমি দখলের অভিযোগ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে তাকে জড়িয়ে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বিশেষ করে তার বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই বলে তিনি দাবি করেন।

হান্নানের অভিযোগ, একটি চিহ্নিত আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্যরা তার রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে স্থানীয় পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এ বিষয়ে তিনি যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, তাদের বক্তব্য প্রতিবাদলিপিতে পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট বাদীর দায়ের করা অভিযোগপত্রে তার নামও নেই। ফলে তাকে জড়িয়ে চাঁদাবাজি কিংবা জমি দখলের অভিযোগ প্রকাশ করা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে তিনি দাবি করেন।

প্রতিবাদলিপিতে হান্নান আরও বলেন, তিনি বিএনপির একজন নিবেদিত কর্মী। ২০১৬ সালে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে কোনাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেছিলেন। ভবিষ্যতেও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত থাকায় একটি মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছে বলে তার অভিযোগ।

তার দাবি, কোনাখালী ইউনিয়নের ইফাদ সাহায্যপুষ্ট সাইক্লোন সেন্টার সংলগ্ন পুকুরটি দীর্ঘদিন ধরে উন্মুক্তভাবে নিলামে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন তিনি। পুকুরটি নিয়মতান্ত্রিকভাবে নিলামে দেওয়া হলে সরকার রাজস্ব পাবে এবং স্থানীয় জনগণের স্বার্থও সংরক্ষিত হবে বলে তিনি মনে করেন।

হান্নান অভিযোগ করেন, নুরুল আলমসহ কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে রেডক্রিসেন্টের নাম ব্যবহার করে পুকুরটি ভোগদখলে রেখেছেন। বর্তমানে একইভাবে পুকুরটি দখলে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুন  মহেশখালীতে প্রতিপক্ষের গুলিতে যুবক দোয়েল নিহত

প্রতিবাদলিপিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা ও একটি কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার একটি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আপিল মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে তিনি জানান।

ইমরুল হাসান হান্নান বলেন, ‘৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগসহ আমাকে জড়িয়ে যে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তা আমার সামাজিক ও রাজনৈতিক সম্মান ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা। আমি এসব ভিত্তিহীন প্রচারণার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।’

তিনি সংবাদমাধ্যমকে কোনো পক্ষের অভিযোগ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য যাচাই করার আহ্বান জানান এবং প্রকাশিত প্রচারণায় কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করেন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

;