তাড়াইলে শিক্ষার্থী ছনিয়ার মৃত্যু: ৪ মাস পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন

হত্যার অভিযোগে বাবার মামলা—ময়নাতদন্তে প্রকৃত রহস্য উন্মোচনের আশাবাদ

আমিনুল ইসলাম রিপন, কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

শেয়ার করুন

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার তেউরিয়া গ্রামে নবম শ্রেণির মাদরাসা শিক্ষার্থী মোছা. ছনিয়া আক্তার (১৫)-এর রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে নিজ বাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে শুরু থেকেই নানা প্রশ্ন ও সন্দেহের উদ্রেক হয়।
নিহতের বাবা তারু খান গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে আদালতে ৭ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরিবারের দাবি, এটি কোনো আত্মহত্যা নয়; পরিকল্পিতভাবে ছনিয়াকে হত্যা করা হয়েছে।
মামলার অগ্রগতির অংশ হিসেবে সোমবার (২৭ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ১১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিলা আখতারের উপস্থিতিতে ছনিয়ার কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়। এ সময় নিহতের বাবা তারু খানসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন। পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে তাড়াইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শেখর রঞ্জন পাল জানান, মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা না থাকায় এখনো কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি এবং তারা আত্মগোপনে রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে উদ্বেগ ও কৌতূহল বিরাজ করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আরও পড়ুন  কিশোরগঞ্জ তাড়াইলে অন লাইন জুয়া খেলা কেন্দ্র করে মারামারিতে নিহত ১ জন
শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন